তেঁতুলিয়া ইসলামপুরে বিজিবি-বিএসফের কোম্পানী পর্যায়ে ৪৪৬ মেইন পিলার বরাবরে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে তেঁতুলিয়া কোম্পানী কমান্ডার দিদার আলী এবং ভারতের পক্ষে রাজ গ্রীসসিংহ ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল নের্তৃত্ব দেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৪৪৬ মেইন পিলার বরাবরে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে ভারতীয় এক নাগরিক সুবাস পান্ডে (২৫) মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বাংলাদেশের ভূখন্ডে তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধা মহাসড়কের রনচন্ডি নামক স্থান অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। আলমগীর হোসেন নামক এক পাথর ব্যবসায়ী তাকে উদ্ধার করে সুবাস পান্ডের শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে সম্পূর্ণরূপে সুস্থ্য করে তুলেন। সুস্থ্য হবার পর তার মানসিক সুস্থ্যতা ফিরে পায় এবং তার নাম ঠিকানা জানায়। তার তথ্যমতে, পিতা-সন্তোষ পান্ডে, মাতা-আশা পান্ডে, স্ত্রী ও কন্যা সন্তান রয়েছে এবং সে ভারতের মহারাষ্ট্র নাগপুর জেলার হিউম্যান ঘাট পাচারি এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যায়।

সুবাস পান্ডে সুস্থ্যতা ফিরে পাওয়ার পর তার পিতা মাতার নিকট ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যকুল হয়ে উঠে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী আলমগীর তার পিতা-মাতার নিকট পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য তেঁতুলিয়া কোম্পানী কমান্ডার দিদার আলীর নিকট পরামর্শ করে। সেমতে ভারতীয় নাগরিক সুবাস পান্ডেকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে পাঠানোর জন্য ফাঁসিদেওয়া ক্যাম্পের পত্র পাঠায়। পত্রের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার ফাঁসিদেওয়া ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার রাজ গ্রীসসিংহ ও বাংলাদেশের পক্ষে তেঁতুলিয়া কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক বসে। পতাকা বৈঠকে সুবাস পান্ডের জবানবন্দির অনুযায়ী তাকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করে এবং তার পিতা-মাতার উপস্থিতিতে ফেরত নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাকে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য