চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এর মধ্যেই ক্ষমতাসীন দল আ.লীগ, বিএনপি ও জাতীয়পার্টি দলীয় প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠছে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত জনপথ। ভোটারদের মন আকৃষ্ট করতে কুশলাদি বিনিময়, পল্লী অঞ্চলের রাস্তা-ঘাট মেরামত, মসজিদ, মন্দির সংস্কার, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি দমন এমন কি সুন্দর স্বচ্ছ জবাবদিহি মূলক একটি মডেল উপজেলা উপহার দিতে প্রতিশ্র“তি দিচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। অনেকেই আবার বাউল শিল্পীদের দিয়ে গানের সুরে-সুরে ভোটারদের মন আকৃষ্ট করছে। এমনকি প্রাচীন ঐতিহ্য পান-সুপারি হাতে দিয়ে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি’র একক প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ আলী (চিংড়ি মাছ) , ক্ষমতাসীন আ.লীগের একক প্রার্থী আহসান কবির (হেলিকপ্টার), জাতীয়পার্টির একক প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এ্যাড. এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু (মোটরসাইকেল),র্  ফারুক আলমের (টেলিফোন) নাম ভোটারদের মুখে-মুখে শোনা যাচ্ছে। তবে ভোটের হাওয়ায় যে চেয়ারম্যান হবে তাকে বিএনপি প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ আলীর (চিংড়ি মাছ) সাথে তুমূল ভোট যুদ্ধে জয়ী হয়ে নির্বাচিত হতে হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। সেদিক থেকে অন্য প্রার্থীদের বেশ বেগ পেতে হবে। বিএনপি, জামায়াতের বিশাল একটি ভোট ব্যাংকের কারণে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি ফেলে দেওয়ার মত নয়। এদিক থেকে বিএনপি প্রার্থী রয়েছে সুবিধাজনক অবস্থানে। এছাড়াও জাতীয়পার্টির দূর্গ হিসেবে পরিচিত সাঘাটা উপজেলায় ভোট রয়েছে তুলনামূলক ভাবে বেশি। সেদিক থেকে জাতীয়পার্টিও রয়েছে একটু ভালো অবস্থানে। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য প্রার্থীরা হলেন, অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ (দোয়াত-কলম), শাহজাহান আলী সাজু (কাপপিরিচ), শাহ মোখলেছুর রহমান মোখলেছ (আনারস), সাখাওয়াত হোসেন রুবেল (ঘোড়া)। শেষ প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে বিএনপি, আ.লীগ ও জাতীয়পার্টিও প্রার্থীদের মধ্যে ভোট যুদ্ধে লড়াই হবে ত্রিমুখী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য