কোরবাণীর ঈদকে সামনে রেখে ব্যাস্ত সময় পার করছে কুড়িগ্রামের কামার শিল্পীরা। হাতুরী, স্বাবল ও তপ্ত উনুনের পাশে দিন রাত কাজ করছেন তারা। কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলায় প্রায় শতাধিক কামার পরিবার পৈত্রিক পেশা ধরে রেখেছে। সারা বছর অলস সময় পার করলেও কোরবাণীর ঈদ আসলেই অধিক শ্রম দিয়ে বেশি আয়ের স্বপ্ন দেখে কামার পরিবারগুলো। কামার শিল্পীরা জানান, বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখলেও চাহিদানুযায়ী সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। লোহা ও কয়লার দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পাওয়ায় তৈরি সামগ্রীর দামও বেড়ে যায়। কিন্তু তৈরি সরঞ্জামাদি বেশি দামে কিনতে আগ্রহী নয় গ্রাহকরা। কুড়িগ্রাম শহরের প্রেস ক্লাব এলাকার কামার শুশীল চন্দ্র জানান, ঈদ উপলক্ষে সামান্য বায়না পেলেও বায়না ছাড়াই লাভের আশায় আগাম কোরবাণীর সরনজামাদি তৈরি করে মজুদ রাখা হচ্ছে। ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও সে সবের বিক্রি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছি আমরা। পশুর হাটগুলোয় ঈদের আমেজ থাকলেও এখনও কামারদের দোকানে মানুষের পদ চারনা নেই বললেই চলে। তবে শেষ মুহুর্তে কোরবাণীর মাংস কাটার সরনজামাদি কিনতে কামারদের কাছে ভিড় জমাবে মানুষ এমন আশায় বুক বেধে আছে কামার পরিবারগুলো।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য