imagesদিনাজপুর জেলার ব্যবসা ও শিল্প সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে সেতাবগঞ্জের একটি পরিচিতি রয়েছে। ১৯৩৩ সালে সেতাবগঞ্জ চিনিকল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই চিনিকলকে ঘিরে পরবর্তীতে এখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কল কারখানা। বর্তমানে সেতাবগঞ্জ পৌর শহর সহ আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠেছে প্রায় ১৫টি অটো রাইস মিল, ৩ শতাধীক হাসকিং মিল, ব্র্যান্ড মিল সহ ছোট বড় অসংখ্য কলকারখানা। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বিশেষ করে অটো মিলের উঠানো ছাই এখন সেতাবগঞ্জ শহরবাসীদের চরম অতীষ্ঠের মধ্যে ফেলেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মিলের উড়ানো ছাই শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ির কাপড় চোপড়, আসবাসপত্র, খাদ্য সামগ্রী সহ মানুষের শরীরের অমূল্য সম্পদ চোখের মধ্যে পড়ার কারণে অতীষ্ঠের মাত্রা বেড়ে গেছে। সেতাবগঞ্জ বাজারের ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী রফিক জানান, অটো মিলের উড়ানো ছাইয়ের কারণে তার দোকান ২ঘণ্টা পর পর পরিস্কার করতে হয়। হোটেল ব্যবসায়ী মানিক ঘোষ জানান, খাদ্যে ঢেকে রাখার পরও ছাই থেকে পরিত্রান পাওয়া যাচ্ছে না। ওষুধ ব্যবসায়ী মানিক জানান, প্রতিদিইন তার দোকানে চোখে ছাই পড়ায় মানুষ চোখ দেখাতে তার কাছে আসে। ছাইয়ের কারণে এলাকাবাসী ঠিকমত রাস্তায় চলাফেরা বা গাড়ি চালাতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে ফা­ুন ও চৈত্র মাসে বাতাসের কারণে ছাই ওড়ানো মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষকে চরম অতীষ্ঠের মধ্যে ফেলেছে। ছাই থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য সেতাবগঞ্জ পৌরবাসী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের দ্রুত কার্যকর ভূমিকা দেখতে চায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য