7_hurricane-odile-1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মেক্সিকোর সামরিক ও বাণিজ্যিক বিমানগুলো মঙ্গলবার থেকে পর্যটনকেন্দ্র লস কাবোসে আটকে পড়া পর্যটক ও দুর্গত লোকদের আকাশ পথে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। হারিকেন ওডিল আঘাত হানার পর আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হওয়া বিলাসবহুল হোটেলগুলোতে এরা অত্যন্ত দুরাবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

ওডিল রোববার রাত ও সোমবার ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে বাজা ক্যালিফোর্নিয়ার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গোটা এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এরপর এটি দুর্বল হয়ে গ্রীষ্মম-লীয় ঝড়ে পরিণত হয়। এর ফলে প্রায় ৩০ হাজার পর্যটক বাজা ক্যালিফোর্নিয়া উপদ্বীপের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আটকা পড়ে। খবর এএফপি’র।

প্রাইভেটকার বা গণ-পরিবহনগুলোতে জ্বালানী ভরার জন্য সার্ভিস স্টেশনগুলো খোলা হয়নি। তাই বিমানে আসন পেতে কয়েকশ পর্যটক তাদের মালপত্র না নিয়েই বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছুটতে শুরু করে। ঝড়ে বিমানবন্দরটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিলা রোচ বলেন, ‘আমি প্রায় চার ঘন্টা ধরে প্রচ- গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি।’ রোববার তার দেশে ফেরার কথা ছিল।

লা পাজে ওই এলাকার অপর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে এই বিমানবন্দরটিও ঝড়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এগুলো বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। লস ক্যাবোস টার্মিনালটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং এর জানালার কাঁচগুলো ভেঙ্গে গেছে।

কেন্দ্রীয় পুলিশ জানিয়েছে, একটি বিমানে ১৩৭ জন উঠেছে। এদিকে মেক্সিকান বিমান কোম্পানি ইন্টারজেট ১৫০ যাত্রীর জন্য একটি বিমান পাঠিয়েছে। আটকে পড়া মানুষদের তিজুয়ানা ও মেক্সিকো সিটিতে নিয়ে যেতে সশ্রস্ত্র বাহিনী বেশ কয়েকটি বিমান মোতায়েন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও কানাডার কনস্যুলার কর্মকর্তারা তাদের নাগরিকদের পাশে দাঁড়াতে দুর্গত এলাকায় গেছেন। রোববার রাতে ওডিল আঘাত হানার পর প্রায় ২৬ হাজার বিদেশী পর্যটক ও ৪ হাজার স্থানীয় নাগরিক আক্রান্ত এলাকার হোটেলগুলোতে আশ্রয় নেয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য