arrমোঃ মীর কাসেম লালু, বীরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় ছাত্রীকে জোর পূবর্ক ধর্ষনের অভিযোগে রনজিত চন্দ্র রায় (৩৬) নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। সে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের গোলাপগঞ্জ আমিনা করিম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ।

উল্লেখ্য গত ১০জুলাই বীরগঞ্জে আমিনা করিম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রনজিত কুমার নোট দেওয়ার কথা বলে বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভোগডুমা গ্রামের একটি বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে জোড়পূূর্বক ধর্ষক করেন।

ধর্ষিতার পরিবারের অভিযোগ ধর্ষণের ঘটনার বিচারের জন্য প্রশাসন সহ জনপ্রতিনিধিদের কাছে গেলে কোন প্রকার সহযোগীতা না করে  যারা ধর্ষণের প্রতিবাদ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষককে দিয়ে মিথ্যে চাঁদাবাজীর মামলা দায়ের করিয়েছেন। পরে তারা বিদ্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করে। সেখানে কোন বিচার না পেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

তাদেরকে সহযোগিতা করার অভিযোগে ধর্ষক রনিজিত রায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য মোঃ দুলাল সরকার, স্থানীয় যুবক হাবিবুর রহমান ও  জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা করলে পুলিশ রাতেই জলিলুরকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছেন।

এরপর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে পুরো উপজেলায়। আন্দোলনের চাপে পুলিশ ২ সেপ্টেম্বর আদালতের নির্দেশে মামলা গ্রহণ করে এবং ধর্ষককে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়।

বীরগঞ্জ ওসি (প্রশাসন) কেএম শওকত হোসেনের নেতৃত্বে এস আই জাকারিয়ার সহযোগিতায় একদল পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক রনজিৎ কে গ্রেফতার করে।  এদিকে অভিযুক্ত রনজিৎ রায় গ্রেফতারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে রাতেই থানায় শত শত মানুষ ভীড় জমায়। এদিকে জনতার ভিড়ের কারনে নিরাপত্তার কারনে পুলিশ রাতেই তাকে কোতয়ালী থানায় স্থানান্তর করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য