কুড়িগ্রামে বন্যার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় দেড় লক্ষাধিক শিশুর পড়ালেখা বন্ধ হয়েছে। চলতি বন্যায় জেলার ধরলা, তিস্তা, ব্রম্মপুত্র, দুধু কুমার ও ফুলকুমার সহ ছোট-বড় প্রায় ১৬টি নদ-নদীর অববাহিকার নি¤œঞ্চলে পানি উঠায় ২শ’ ৪৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, বন্যার পানি নেমে গেলে সরকারি ছুটির দিনে ক্লাস নেয়ার মাধ্যমে পড়ালেখার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। বন্যায় আক্রান্ত বিদ্যালয়গুলি হচ্ছে- উলিপুরে ৫৬টি, সদরে ২০টি, চিলমারীতে ৪৫টি, নাগেশ্বরীতে ৪১টি, ফুলবাড়িতে ১টি, ভুরুঙ্গামারীতে ৮টি, রৌমারীতে ৫৬টি ও রাজিবপুর উপজেলায় ২২টি। এদিকে- বন্যার কারণে পড়ালেখা বন্ধ থাকায় যে অপরনীয় ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্র সহ তাদের অভিভাবকরা। বন্যা উপদ্রুত অঞ্চল কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর, ভোগডাঙ্গা ও পাঁচগাছী এলাকায় গেলে সেখানকার অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেছেন- এমনিতেই স্বাভাবিক সময়ে শিক্ষকরা ক্লাসে আসেন না। অনেক বিদ্যালয় চলে ভাড়াটে শিক্ষক দ্বারা। সেই শিক্ষকরা সরকারি ছুটির দিনে ক্লাস নিবে কিনা তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাদের’র সাথে কথা হলে তিনি জানান- বন্যা শেষে বন্যা উপদ্রুত অঞ্চলের স্কুলগুলো সরকারি ছুটির দিনে খোলা রাখা হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- বন্যাক্রান্ত অঞ্চলগুলোতে ফ্লাড শেল্টার কাম বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য আমরা উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠাবো।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য