Dinajpur-27-08-14--জিন্নাত হোসেন ॥ বড়দের মত শিশুদেরও যক্ষ্মা রোগ হতে পারে। তবে শিশুর যক্ষ্মা রোগ সনাক্তকরনের জন্য দক্ষতার প্রয়োজন। কারণ কফ পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুদের যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় নাও করা যেতে পারে। শূন্য থেকে ৫ বছরের শিশুরাই যক্ষ্মা রোগের জন্য বেশী মাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া কিছ ু কিছু রোগ (যেমন- হাম, অপুষ্টি, হুপিং কাশি, এইচআইভি/এইডস) যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, সেগুলোও যক্ষ্মা রোগ হওয়াকে ত্বরান্বিত করে। ফুসফুস বহির্ভুত যক্ষ্মা (এক্সট্রা পালমোনারি টিবি) শিশুদের বেশি হয়। যদি কোন শিশুর কফে জিবানু যক্ষ্মারোগীর সংস্পর্শে আসে এবং তার যক্ষ্মার লক্ষন দেখা মাত্র চিকিৎসকের মাধ্যমে তাকে যক্ষ্মা প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে হবে।

২৭ আগস্ট বুধবার দিনাজপুর সদর হাসপাতাল মিলনায়তনে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী, স্বাস্থ্য ও অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং দিনাজপুর স্বাস্থ্য বিভাগ ও ব্রাক আয়োজিত যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম : অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ শির্ষক গোল টেবিল বৈঠকে উপরোক্ত কথাগুলো জানানো হয়। দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোশায়ের-উল-ইসলাম এর সভাপতিত্বে গোল টেবিল বৈঠকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর ব্রাকের আঞ্জলীক ব্যবস্থাপক চিত্ত রঞ্জন হাওলাদার।
Dinajpur-27-08-14----
রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএমএ দিনাজপুর শাখার সাধারন সম্পাদক ডাঃ গপিনাথ বসাক, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের উপ পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ মোঃ আমির আলী, দিনাজপুর সদর হাসপাতালের ইউএইচএক্সএফপিও ডাঃ মোঃ ইমদাদুল হক, দিনাজপুর সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক স্টেফেন মুর্মু, দিনাজপুর বক্ষব্যাধি ক্লিনিক এর জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ মাসতুরা বেগম। দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাক দিনাজপুর জেলা প্রতিনধি মোঃ মহসিন আলী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন রংপুর ব্রাক এর এ্যাডভোকেসী ইউনিট ম্যানেজার রঞ্জন দত্ত। মুক্ত আলোচনায় পরামর্শ ও সুপারিশমূলক বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আহসানুল আলম সাথী, জিনাত রহমান, একরাম হোসেন তালুকদার, রতন সিং, শাহ আলম শাহি প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য