ধূমপান নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের ধূমপান মুক্ত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি সকল বেসরকারি সাহায্য সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদের ধূমপানের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তাদের সচেতন করতে হবে। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জেলা টাস্কফোর্স কমিটি ও অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) আয়োজিত সোমবার সকালে এক অ্যাডভোকেসি সভায় এ মন্তব্য করেন রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা তাসমিন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে তনিমা তাসমিন জানান, দেশে ধূমপায়ীর সংখ্যা বর্তমানে শতকরা ৪৩ ভাগ। এ সংখ্যা কমিয়ে আনতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি জানান, ধূমপান নিয়ন্ত্রণে রংপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জুলাই মাসে ১৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় জব্দ করা মালামাল পুড়িয়ে ফেলা হয়। ধূমপানের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিকর দিক পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন এসিডির প্রকল্প সমন্বয়কারী এহসানুল আমিন ইমন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোজাম্মেল হক, সহকারী পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন, রংপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক পরিবেশ সম্পাদক একেএম ফজলুল হক, জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মঞ্জুর ই মওলা, দ্য রিপোর্ট রংপুর অফিস প্রধান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ কোয়ালিশনের ফোকাল পারসন সুশান্ত ভৌমিক, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের রংপুর প্রতিনিধি মাহবুবুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালেদা খাতুন রেখা, রংপুর জেলা বিএমএ সভাপতি ডা. দেলোয়ার হোসেন, আরডিআরএস বাংলাদেশ রংপুরের সিনিয়র ম্যানেজার আশাফা সেলিম ও শ্যাডোর নির্বাহী পরিচালক সারওয়ার জামিল খন্দকার প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য