কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। ব্র্হ্মপুত্র পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার নিজ দিয়ে প্রবাহিত হলেও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে উপজেলার আরো নতুন নতুন এলাকার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতির মুখে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর অপরদিকে চিলমারী ডান তীর প্রতিরক্ষা প্রকল্পের জিরো পয়েন্টে সরদার পাড়া স্লুইজ গেইট এলাকায় ধ্বস দেখা দেয়ায়। হুমকীর মুখে রয়েছে কাঁচকোল থেকে রাজারভিটা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা। এ ব্যাপারে রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নের কালির কুড়া থেকে কাঁচকোল স্লুইজ গেট পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওয়াপদা বাঁধে বসবাসরত প্রায় ২ হাজার পরিবার চরম হুমকীর মুখে রয়েছে। এই বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে হাজার হাজার একর ফসলী জমিতে বালু পড়ে অনাবাদী হয়ে যাবে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাঁধ রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড এর ভূমিকা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ তারা প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য পরিমান বালুর বস্তা নদীতে ফেলে জনগণকে শান্তনা দেবার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু তাহেরের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ভাঙ্গন প্রতিরোধে তার ডিপার্টমেন্টের কোন অবহেলা নেই বরং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। চিলমারীতে ভাঙ্গন ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় বালুর বস্তা ফেলানো হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য