রংপুর নগরীতে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ১২জন চিহ্নিত ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। গত রোববার মধ্যরাতে নগরীর সাতগাড়া মিস্ত্রিপাড়া ওয়ারিদ টাওয়ারের সন্নিকট থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১৩ টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র।

রংপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে রমজান পাশের পূর্ব থেকে অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। ইতিমধ্যে শতাধিক ছিনতাইকারী ও ডাকাত সদস্য আটকও হয়েছে। এরপরেও নগরীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই সংঘটিত হওয়ায় পুলিশ বিপাকে পড়ে। ফলে চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও ডাকাত সদস্যদের ধরতে নগরের বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়ায় তারা। গত রোববার মধ্যরাতে গোপন সংবাদ পেয়ে অফিসার ইনচার্জ আঃ কাদের জিলানীর নেতৃত্বে, এসআই তৌহিদুল ইসলাম, এসআই হোসেন আলী, এসআই হারেছ শিকদারসহ থানা পুলিশের একটি চৌকষ দল মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। সে সময় ডাকাতি ও ছিনতাই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল একটি দল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপরাধীরা পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে। আটক হওয়া ছিনতাইকারী ও ডাকাত সদস্যরা হচ্ছে সাতমাথা শনিরবাড়ী এলাকার মজিবরের পুত্র কালু (২৮), পশ্চিম জুম্মা পাড়ার হাফিজ উদ্দিনের পুত্র আতারুল (২৪), একই এলাকার মৃত: সামসুদ্দিনের পুত্র ফকিরা (২৪), ইসলামপুর হনুমান তলার ভুট্টুর পুত্র মানিক (২২), মৃত: কুদ্দুস মন্ডলের পুত্র বিছ কালাই (২৪), মুলাটেল পুকুড় পাড়ের মৃত: আঃ হকের পুত্র জিয়া (৩০), সাতমাথা এলাকার মন্জু মিয়ার পুত্র আজাদ (২২), সাতগাড়া মিস্ত্রি পাড়ার হামিদুজ্জামানের ছেলে কামেল (২০), মুলাটোলের হানিফের পুত্র শাকিল (২২), পূর্ব গুপ্ত পাড়ার আবুল কালামের পুত্র মিন্টু (২০), গুপ্তপাড়া ব্রীজ এলাকার আঃ আজিজের পুত্র রবিন (২০) এবং তাঁতী পাড়ার কার্তিকের পুত্র বিল্লা (২২) ।ধৃত ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৪টি ছোরা, ২টি বেকী (হাসুয়া), ২টি স্টিলের চাপাতি, ১টি তলোয়ার, ৩টি রাম দা এবং একটি লম্বা পাইপ।

এদিকে গতকাল দুপুরে কোতয়ালী থানায় এক প্রেস ব্রিফিং-এ পুলিশ সুপার আঃ রাজ্জাক পিপিএম বলেন, ধৃত যুবকরা সকলেই ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানাবিধ অপরাধের সাথে জড়িত। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলমান বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য