pic-3 copyকুরবান আলী, দিনাজপুর ॥ ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রশাসনের সাথে সমঝোতা করে দিনাজপুর জেলা শহরের বাজারগুলোর প্রায় প্রতিটি কাপড়ের দোকান ভারতীয় কাপড়ে সয়লাব হয়ে গেছে। চোরাচালান প্রতিরোধে দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে, চোরাচালানি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় কাপড়ের ব্যবসা চালিয়ে আসছে।

জানা গেছে, সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় চোরাচালানি সিন্ডিকেটের সদস্যরা রমজান শুরুর আগেই ঈদকে সামনে রেখে ভারতীয় কাপড়সহ অন্যান্য পণ্য আমদানীতে তৎপর হয়ে ওঠে। দিনাজপুর শহরের প্রতিটি কাপড়ের দোকনে ভারতীয় প্যার্ন্ট পিস, শার্ট পিস, থ্রি-পিস, জর্জেট শাড়ী ও কসমেটিক্স দোকানে বিপুল পরিমাণে মজুদ করা হয়। আর এসব ভারতীয় কাপড় জেলা শহরের মালদ্হপট্টি, গণেশতলা, বাহাদুর বাজারের বিভিন্ন শপিং মহল ও দোকানে খুচরা বিক্রয় করা হচ্ছে।

ভারতীয় পণ্য জেলার সীমান্ত এলাকার বেশ কয়েকটি পয়েন্ট দিয়ে চোরাচালানিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমদানী করছে। এসব পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন কাপড় ও কসমেটিক্সসহ বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় পণ্য আসছে। আর এই চোরাচালানীদের সহযোগীতা করছে বিজিবি, পুলিশ ও তাদের নিয়োগ দেয়া লাইনম্যান। এতে সরকার হারাচ্ছে যেমন কোটি কোটি টাকার রাজস্ব তেমনি মার খাচ্ছে দেশীয় পণ্য।

স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চেরাচালানিরা ভারতীয় পণ্য দেশের অভ্যন্তরে আমদানী করছে এবং বিপরীতে দেশীয় পণ্য ভারতের পাচার করছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পেতে চোরাচালানিরা ব্যবহার করছে মোবাইল ফোন।

এব্যাপারে দিনাজপুর বিজিবি সেক্টর কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি  বলেন, বিজিবি’র এককভাবে শহরে অভিযান পরিচালনা করার ক্ষমতা নেই। বিজিবি’র সাথে পুলিশ ও টাক্সফোর্স কমিটির লোকদের প্রয়োজন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য