কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে রাজিবপুর ও রৌমারী নৌ-রুটে অতিরিক্ত ভাড়া ও টোল আদায় করা হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের নৌ-রুটে যাতায়তকারী ইঞ্জিন চালিত নৌকার (ট্রলার) যাত্রী ও পণ্য ভাড়া আদায়ে সরকারী কোনো নিয়ম নীতি মানা হচ্ছে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের সাথে নৌকার মাঝি ও ইজারাদার লোকের মধ্যে প্রায়ই অপীতিকর ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সুুত্রে জানাগেছে, চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর নৌ-ঘাটকে লট ঘাট হিসেবে ইজারা প্রদান করা হয়। এতে লট ঘাটে যাতায়তকারী ট্রলারে যাত্রী ভাড়া ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই ভাবে বিভিন্ন প্রকার পণ্য সামগ্রীর নির্দিষ্ট হারে টোল আদায় করার নিয়ম রয়েছে। প্রতিটি ঘাটে যাত্রী ভাড়া ও টোল ভাড়ার তালিকা টানিয়ে রাখতে সরকারী ভাবে নির্দেশ দেয়া রয়েছে।

কিন্তু সরেজমিন নৌ-ঘাট গুলো ঘুরে কোনো টোল ভাড়ার তালিকা টানানো পাওয়া যায়নি। নৌ-ঘাট সংশ্লিষ্ট ও সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে জানাগেছে, গত ৫ বছরে ৬ বার ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০ টাকার ভাড়া এখন ৭০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। সরকারী ভাবে চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর নৌ-রুটে যাতায়তকারী ট্রলারে যাত্রী ভাড়া ৫০টাকা, সেখানে আদায় করা হচ্ছে ৭০ টাকা।

চিলমারী উপজেলার যাত্রী কলিম উদ্দিন (৫০) তিনি জানান, গতকাল শনিবার রৌমারী থেকে চিলমারীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। নদের মাঝ পথে যাত্রীদের কাছ থেকে রশিদ ছাড়াই জন প্রতি ৭০ টাকা আদায় করা হয়। এ নিয়ে যাত্রীদের সাথে নৌকা মাঝির হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। রাজিবপুর থেকে চিলমারী আসা আমজাদ হোসেন (৪৫) জানান, ঘাটের ইজারদার ও নৌকার মালিকরা তাদের ইচ্ছামত ভাড়া ও টোল আদায় করে থাকে। কেউ প্রতিবাদ করলে ঘাটে নিয়ে তাকে অপদস্ত করা হয়ে থাকে।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান হাবিব জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। আমি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবো।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য