17-07-14(1)কাউনিয়া (রংপুর) থেকে আফজাল হোসেন॥ রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তার মরা সতি নদীর উপর একটি পাকা ব্রীজের অভাবে দুই উপজেলার ১৫ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। একটি বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপর হলেও  বেশ কিছু দিন আগে তা সম্পূর্ন রুপে ভেঙ্গে যায়। বর্তমানে লক্ষাধিক মানুষের যাতাযতের একমাত্র ভরসা কলার ভেলা।
সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে উপজেলার হারাগাছ ইউনিয়নের ও পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ও রাজপুর ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ অস্থায়ী বাশেঁর সাঁকো দিয়ে উপজেলার সদর সহ বিভিন্ন স্থানে যাতাযত করতো । হারাগাছ ইউনিয়নের চর পল্লীমারী,চর চতুরা এবং রাজপুর ,খলাইঘাট,চাংড়া   চিনাতুলি,পাগলার হাট,খুনিয়া গাছ,মিলন বাজার,তাজপুর গ্রাম সহ ১২টি স্কুর ও মাদ্রাসা এবং একতা বাজার,ঠিকানার হাট,পাগলার হাট সহ ৬টি হাটবাজার সরাসরি তিস্তার উত্তর প্রান্তের চরে অবস্থিত। এ এলাকা গুলি কৃষি নির্ভর এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে মরিচ,পিয়াজ,আলু,বাদাম,ধান,পাট,শাক সবজি সহ নানা ধরনের ফসল উৎপাদন হয়। এ এলাকা উপজেলার শষ্য ভান্ডার নামে খ্যাত। পাকা ব্রীজ না থাকায় এ এলাকার কৃষক সহ সাধারন মানুষ কে অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সর্বদা। বাঁশের সাঁকোটি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে বর্তমানে কলার ভেলায় পারাপারে আরো দূর্ভোগ বেড়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান,উপজেলা চেয়ারম্যান,সংসদ সদস্য পাকা ব্রীজ নির্মানের জন্য কথা দিয়েও আজ পর্যন্ত কথা রাখতে পারে নাই। তিস্তার মরা সতি নদীতে ব্রীজ নির্মান করলে এলাকার মানুষ যেমন উপকৃত হবে অন্য দিকে কৃষি অর্থনীতি নির্ভর এলাকার মানুষ তাদের উৎপাদিত পন্যের ন্যায্য মূল্য পেয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। বর্তমানে তাদের পারাপারে কলার ভেলাই একমাত্র ভরসা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য