বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমিশণ বাণিজ্য চালিয়ে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে আয় করার অভিযোগ উঠেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি সুকৌশলে রোগীদের দিনাজপুরের বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রেরণ করে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিয়ে ক্লিনিক কর্তপক্ষ হতে এই অবৈধ অর্থ আয় করছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ.এস.এম জাহিদুল ইসলাম বিরলে যোগদানের পর হতে কমপ্লেক্স হতে বিভিন্ন ভাবে অবৈধ অর্থ উপার্জন শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন পন্থায় অবৈধ অর্থ উপায়ের মাধ্যম হিসাবে অন্যতম মাধ্যম রোগীদেরকে বেছে নেন। কৌশল হিসাবে তিনি এখানে যন্ত্রপাতির অভাব দেখিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের সমস্যার কথা শুনে তাদেরকে বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে ভালো চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিতে থাকেন।

রোগীরা কর্মকর্তার পরামর্শ শুনে দিনাজপুর শহরের ক্লিনিকগুলোতে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হিমশিম খেয়ে আবারো বিরলে আসলে তাদেরকে সুপারিশের মাধ্যমে কম খরচের আশ্বাস দিয়ে আবারো ক্লিনিকে প্রেরণ করায় তাঁর কমিশন বাণিজ্যের খবর লোকমূখে ছড়িয়ে পড়ে। ভূক্তভোগী রোগীরা বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ.এস.এম. জাহিদুল ইসলামকে অন্যত্র বদলী করে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে তাঁর দূর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য