দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিধি ভঙ্গ করে বদলী বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তিনি সরকারী নিতীমালা উপেক্ষা করে শুধু মাত্র স্বজন প্রিতী ও অর্থের বিনিময়ে বদলি বাণিজ্য করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। জানা যায় উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের দেওগাঁ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ১৮০ জনেরও কম। ১ জন শিক্ষকের বিপরীতে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকার সরকারী বিধান রয়েছে। সেই মোতাবেক ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন ৫ জন যা সরকারী নিতীমালা মোতাবেক প্রয়োজনের তুলনায় বেশী। এরপরেও ওই বিদ্যালয়ে একটি নতুন পদ সৃষ্টি করে উপজেলার শালখুরিয়া ইউনিয়নের বেড়ামালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ জন সহকারী শিক্ষককে ওই বিদ্যালয়ে বদলি করে তিনি অনিয়মের নজির সৃষ্টি করেছেন। ওই শিক্ষক গত ২৮ জুন সেখানে যোগদান করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে কোন মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রধান শিক্ষক জানান ওই বদলিটি কোন দিনও করা যাবে না। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করলেই তার বিরুদ্ধে শুধু ওই অনিয়মই নয় বেরিয়ে আসবে আরও অনেক অনিয়ম ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য