জেলার পীরগঞ্জ পৌর শহরের গুয়াগাও বানিজ্যিক এলাকায় ২০ বছর আগে স্থাপিত রনি হাসকিং মিল সম্প্রসারন করতে গিয়ে মহল বিশেষের অপতৎপরতার মুখে পড়েছেন এক ব্যবসায়ী। জানা যায়, উপজেলার ভেলৈাতর গ্রামের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী মো: শাহজাহান ১৯৯৪ ইং সালে খাদ্য মন্ত্রনালয়ের ১২২০/৯৪ নং লাইসেন্স দিয়ে মেসার্স রনি হাসকিং মিলের কার্যক্রম শুরু করেন। মিলের কার্যক্রম শুরুর প্রাক্কালে মিল এলাকায় কোন বসতবাড়ী ছিলনা। মিল স্থাপনের পর এলাকায় জনমানুষের আনাগোনা বৃদ্ধির ফলে পর্যায়ক্রমে কিছু মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে নিরাপদ দূরত্বে বাড়ী ঘর নির্মান শুরু করে। পরবর্তীতে ২০০০ সালে ১৭০ নং লাইসেন্স নিয়ে রাহিল হাসকিং মিলের কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। এলাকার উন্নয়নের সাথে সাথে সাধারন মানুষের চাহিদার তাগিদে মিল মালিক সম্প্রতি ২ টি হাসকিং মিলের পাশাপাশি মিল সম্প্রসারন কাজে হাত দেন।
পাশ্ববর্তী ৬১ শতাংশ জমিতে স্থানীয় পৌরসভা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ৫৫৬ তাং ২৯.০৫.১৪ ইং ছাড়পত্রের ভিত্তিতে সংশি¬ষ্ট বিভাগের শর্ত মোতাবেক মেসার্স রনি অটো রাইস মিল এর কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে মিলটিতে ৫৫ থেকে ৬০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। অটো রাইস মিলের কার্যক্রম পরিচালনা কালে একই গ্রামের কতিপয় ব্যাক্তি বাধার সৃষ্টি করে অন্যায় সুবিধা লাভের চেষ্টা করে। তারা রাইস মিল চালাতে দেবেনা মর্মে মিল মালিককে নানাভাবে চাপ ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে মিল মালিক জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের সকল শর্ত অনুসরন পূর্বক মিল চালানো হচ্ছে। মিল এলাকার মাটি, পানি, বায়ূ ও শব্দ দূষন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বায়বীয় বর্জ্য নির্গমনের জন্য ৭০ ফুট উচু চিমনি বসানোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও ৯০ ফুট চিমনি বসানো হয়েছে যা সার্বক্ষনিকভাবে কার্যকর রয়েছে। এছাড়া মিলে সৃষ্ট তুষ, ছাই ও ধুলিকনা মিলের নিজস্ব জায়গার গর্তে পরিবেশ সম্মত ভাবে রাখা হচ্ছে। মিলের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু ব্যাক্তির কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় রাজস্ব পাচ্ছে। এসব ব্যাক্তিবর্গের হুমকিতে তটস্থ এই ব্যবসায়ী এলাকার সচেতন মহল সহ আইন প্রয়োগকারী কতৃপক্ষের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র রাজিউর রহমান রাজুর মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন, সকল আনুষ্ঠানিকতা অনুসরন করেই মিল চলছে, সেখানে একাধিক মিল চাতাল রয়েছে তাই অভিযোগকারীদের বক্তব্য কোনভাবেই সঠিক নয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য