DINAJPUR PIC 11.07.14(1)দিনাজপুর থেকে ইদ্রিস আলীঃ তারুণ্যেকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করতে হবে। তরুনদের অবহেলা ও অবজ্ঞা করলে দেশ ও জাতির উন্নতি বা অগ্রগতি কখনই সম্ভব নয়। যদি এখন থেকেই  তরুণদের শিক্ষা, কর্মসংস্তান, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় তাহলে তা হবে ভবিষ্যতের জন্য হবে সেরা বিনিয়োগ।  আগামীতে  সব উন্নয়ন চিন্তায় কিশোর-তরুণদের অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং দিলে দেশ দ্রুত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। বয়স্কজনগোষ্ঠীকে সহযোগিতার জন্য তরুণ প্রজন্মকে কাজ করতে হবে। দেশের মধ্যেই এই বিশাল অংশ তরুন সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। নইলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। তরুন প্রজন্মের মনে অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন। তারা স্বপ্ন দেখে-স্বনিয়ন্ত্রিত, স্বাধীন ও উন্নত জীবনের সুযোগ ঘেরা এক জীবন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে আজকের তরুণরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে আগের চেয়ে বেশী সচেতন। আর তাই আগের প্রজন্মের চেয়েও বড় তাদের স্বপ্ন। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হলে দেশ পিছিয়ে পড়বে এবং সামাজিক অবক্ষয় হবে।  তারুণ্যের গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম সফল করতে সকলকে আন্তরিক ভাবে কাজ করতে হবে। জনবিস্ফোরন প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশে ভয়াবহ অবস্তার সৃষ্টি হতে পারে ভবিষ্যতে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল-“তারুণ্যে বিনিয়োগ আগামীর উন্নয়ন”।

শুক্রবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে র‌্যালী শেষে  দিনাজপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিনাজপুর ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ হামিদুল হক উপরোক্ত কথা বলেন। আলোচনা সভার পূর্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালী উদ্বোধন করেন ও নেতৃত্বদেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ হামিদুল হক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ দিদারুল ইসলাম। র‌্যালীটি শহরের প্রদান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে শিশু একাডেমিতে এসে শেষ হয়।
DINAJPUR PIC 11.07.14(02)
র‌্যালী শেষে শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিশেষ অতিথি ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ মাসতুরা বেগম, বিএমএ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও মেডিকেল অফিসার পঃ পঃ ডাঃ গোপী নাথ বসাক, কাঞ্চন সমিতির পিডি ডাঃ মৃনাল কান্তি রায়, এফপিএবি’র প্রকল্প পরিচালক তাজ উদ্দিন মড়ল ও আলোচনা সভার সঞ্চালক ছিলেন মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার বিশিষ্ঠ স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ খাদিজা নাহিদ ইভা।

সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন প্রজেকশনিষ্ট অমল কুমার সরকার ও সহযোগিতায় মহিলা ও শিশু স্বাস্থ্য কল্যাণ সমিতির নির্বঅহী পরিচালক মোঃ ইদ্রিস আলী।
র‌্যালীতে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী-মাঠকর্মী, মহিলা ও শিশু স্বাস্থ্য কল্যাণ সমিতির সভাপতি শিকা ঘোষ-মাঠকর্মী, কাঞ্চন সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারী, এফপিএবি’র কর্মকর্তা-কর্মচারী-মাঠকর্মী, পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা প্রশিক্ষন কেন্দ্রের প্রশিক্ষনাথীবৃন্দ ও সদর হাসপাতালের নার্সরা অংশ গ্রহন করে।

এবার পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে দিনাজপুর সদর উপজেলা শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। শ্রেষ্ট এফডাব্লুভি’র গৌরব অর্জন করেছে বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের এফডাব্লুভি তাহমিনা খাতুনও একই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বাদশা শ্রেষ্ঠ ইউনিয়নের পুরস্কার গ্রহন করেন। অপর দিকে শ্রেষ্ঠ এফডাব্লুএ নির্বাচিত হয়েছেন বিরামপুর উপজেলার জ্যোৎবানী ইউনিয়নের  লুৎফা খানম। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এফপিএবি শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। প্রধান অতিথি বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য