মো: ইউসুফ আলী, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের আটোয়ারী সেটেলমেন্ট অফিসে টাকা দাও-পর্চা নাও অবস্থা বলে অভিযোগ উঠেছে। অসহায় ভুক্তভোগীরা ইউ.এন.ও বরাবওে লিখিত অভিযোগ করলে সেটেলমেন্ট অফিসের কার্যক্রম নিয়ে চাঞ্চল্যেও সৃষ্টি হয়েছে। লিখিত অভিযোগে জানা যায়, আটোয়ারী উপজেলার রসেয়া গ্রামের ভূমিহীন দয়াল চন্দ্র বর্মন কে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ১৯৯২ সালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক ১ একর ৪৫ শতক জমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদান করেন। বন্দোবস্ত পাওয়ার পর দয়াল চন্দ্র বর্মন জমি দখলে নিয়ে খাজনা খারিজ এবং দাখিলা নিয়ে শান্তিপুর্ণভাবে ভোগ দখল কওে আসছেন। মাঠ জরিপের প্রথম পর্যয়ে আমিনরা পালিয়ে যাওয়ার কারনে দ্বিতীয় ধারায় জমির মাঠ পর্চা নিতে গেলে কিছু জমি অনুপস্থিত খতিয়ানে গেছে তাই মামলা করতে হবে বলে পরামর্শ দেয়া হয়। দয়াল বলেন, আমি ৩টি মামলা ১৫শ টাকা দিয়ে করি।মামলায় ৫টি তারিখ পরে। জমি তদন্তে আমার দখলে প্রমানিত হয় । কিন্তু মাঠ পর্চা দেয় না অফিসার। দালাল আমিনুল বলেন, স্যারকে টাকা না দিলে কাজ হবেনা। তাই বাধ্য হয়ে অভিযোগ করেছি। অপরদিকে বলরামপুরের মসলিমও ইউ.এন.ও বরাবওে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, বলরামপুর মৌজার ২১২৫ দাগে ২২শতক জমি ১৯৭২ সালে ক্রয় কওে আজো শান্তিপুর্ণ ভোগ দখলে আছি। মাঠ পর্চা ও ভিপি খতিয়ান আমার নামে হয়েছে। মোস্তফা ও রাব্বিল ওই জমি কিনে সেটেলমেন্টকে ম্যানেজ করে (আমিনুল ৮০০/-, বাহারুল ২০০/-) জমি দখলের চেষ্টা করছে। সাতখামারের মৃত নিজাম উদ্দীনের ছেলে আব্দুল আজিজও সেটেলমেন্টের কাছে দাবী আদায় করতে না পেরে ইউ.এন.ও বরাবরে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ ৩টির ব্যাপারে ইউ.এন.ও বলেন, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন পুর্বক সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার মতামত সহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য (২৯ জুন) নির্দেশ দিয়েছি। দালাল আমিনুল (বীরগঞ্জ) ৮০০/- টাকা ও বাহারুল ২০০/- টাকা গ্রহনের কথা অস্বীকার করেনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য