পাওয়ার টিলারওয়ারএকরামূল হক বেলাল, পার্বতীপুর প্রতিনিধিঃ পার্বতীপুর উপজেলার কৃষকরা যান্ত্রিক চাষের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। গরুর হালের পরিবর্তে ব্যবহৃত হচ্ছে পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর যান্ত্রিক লাঙ্গল। এখন আর কৃষকদের বাড়িতে তেমন হালের বলদ বা লাঙ্গল দেখা যায় না।

পার্বতীপুর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখতে গিয়ে অনেক কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক জোড়া হালের বলদ ক্রয় করতে বর্তমানে ৪০/৫০ হাজার টাকার প্রয়োজন হয়। এছাড়া খোল, ভূষি, বিচালী সহ বিভিন্ন খাবার যোগান দিতে হয় গরুকে।

এরপরও রয়েছে গরু চোরের উপদ্রব্য ও বিভিন্ন রোগ বালাই। ইরি-বোরো ধান কাটা মৌসুমে অতি বর্ষন হলে কৃষকরা বিচালী করতে পারছে না। এ কারণে এলাকায় অনেক সময় গো-খাদ্যে সংকট দেখা দিয়ে থাকে। একারণে কৃষকরা কলের লাঙ্গলের প্রতি ঝুঁকি করতে দেখা যাচ্ছে। ধনি ও মধ্যবৃত্ত কৃষকরা পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর ক্রয় করে তাদের জমি জমা চাষাবাদ করছে।

নিজের জমি চাষ করে অন্যের জমি বিঘা প্রতি ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা হারে চাষ করছে। জানা গেছে, ক্ষুদ্র কৃষকদের আর হালের বলদ ক্রয় করতে হয় না। যাদের কলের লাঙ্গল আছে তাদের কাছ থেকে বিঘা প্রতি ৩৫০ টাকা দিয়ে চাষ করে নিচ্ছে। এমনও দেখা গেছে, নিজের জমি না থাকলেও ব্যবসার জন্য যান্ত্রিক বা কলের লাঙ্গল ক্রয় করে অন্যের জমি চাষ করছে।

এতে কৃষকদের সময় ও পরিশ্রম কম হচ্ছে। যার ফলে উপজেলার কৃষকরা যান্ত্রিক চাষের প্রতি এখন চরম ভাবে ঝুঁকে পড়ছে ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য