04. Ounda Bandএকে একে পাঁচটি সিঙ্গেলের পর প্রকাশ পেলো ওউন্ড ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম। এক্সপেরিমেন্টাল রক ধাঁচের এই ব্যান্ডটি গান করেন নিজেদের জন্য। অ্যালবামের কাজ শুরু হয় ২০১২ সালের শেষের দিকে। ‘বিষন্ন প্রহর’, ‘ভাবান্তর’, ‘সময়ের শেষে’, ‘প্রাপ্তি’, ‘নিরুদ্দিষ্ট’, ‘বিয়োগ’, ‘লেবাস’, ‘অস্বীকার’, ‘ইলেক্ট’ শিরোনামের গানগুলো যেন আমাদের চারপাশের মানুষ ও তাদের সমাজ বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। ড্রামার এ কে সামি বলেন, “মানুষ ও তার চারপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে পাওয়া ভাবনানিভর্র গানগুলো একেকটি আলাদা আলাদা গল্প তুলে ধরেছে। অ্যালবামের নয়টি গানের বেশিরভাগের কথা লিখেছেন ব্যান্ড সদস্যরা। সামি জানান, অ্যালবামটি প্রকাশিত হয় ২৬ জুন। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ড মিউজিশিয়ান জোহাদ, সামির, চিশতিসহ আরও অনেকেই ছিলেন। মোড়ক উন্মোচনের পাশাপাশি বেশ কিছু সিডি সেদিন বিক্রি করা হয়েছে। তবে ব্যান্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যালবামটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করার সুযোগ তারা করে দিয়েছেন ভক্তদের জন্য। সামির মতে, আজকাল সিডি বিক্রি হয় না এমনিতেই, তার উপর টাকাও পাওয়া যায় না। তাই টাকার জন্য মিউজিক না করে নিজের জন্য মিউজিক করাই শ্রেয়। আমরা যে মিউজিক করি, আমরা নিজেরা জানি সবাইকে এসব অ্যাপিল করবে না। এটা সবার জন্য না। আমরা গানগুলো এভাবেই বানাই। আমরা এগুলো শুনতে শুনতেই বড় হয়েছি। এদের অডিয়েন্স কে? আমরা জানি। ওই টার্গেট করেই আমরা অ্যালবাম করেছি। ওউন্ড গড়ে ওঠে ২০০৭ সালে। এরপর কিছু পরিবর্তন এসেছে ব্যান্ডটিতে। সবশেষে বেইজিস্ট একে রাতুলকে ভোকালিস্ট বানিয়ে এবং কিবোর্ডিস্ট সামিউল হক ও গিটারিস্ট প্রীতম আরেফিনকে নিয়ে ২০১২ সালের শেষ দিকে শুরু হয় গান রের্কডিংয়ের কাজ। ব্যান্ডে আগে থেকেই ছিলেন গিটারিস্ট ফসিউদ্দিন আহমেদ, সামি ও রাহুল। এরই মধ্যে অব্যহতি নিয়েছেন ভোকালিস্ট অ্যান্ডি মেন্ডেজ, গিটারিস্ট আবিদ আল নাহিয়ান ও শরিফ খান। সামি বলেন তাদের সংগীতচিন্তা কাছাকাছি হওয়াতেই ব্যান্ডটি গড়ে তোলেন তারা। আমরা যাদের গান শুনতে শুনতে বড়ে হয়েছি। যাদের গান আমাদের মিউজিশিয়ান বানিয়েছে, ভাবতে শিখিয়েছে, কাজ করতে শিখিয়েছে তাদের ছোঁয়া আমাদের গানে খুঁজে পাওয়া যাবে না– এটা বলতে পারবো না। কিন্তু আমরা তাদের কপি করেছি তাও স্বীকার করি না। আমরা আমাদের মতো কাজ করি এবং তাই করব। ওউন্ডের প্রকাশিত গান ২০১২ সালের ‘হাতিয়ার’ অ্যালবামে ‘স্বপ্নদর্শী’, ২০১১ সালের ‘প্লে ইট নাউ’ অ্যালবামে ‘জেকেল অ্যান্ড হাইড’, ২০১১ সালের ‘রক সেভেন ও সেভেন’ অ্যালবামে ‘সিজরহ্যান্ডস’, ২০১১ সালের ‘রিপাবলিক’ অ্যালবামে ‘নিরপরাধ’ এবং ২০১০ সালের ‘আসর’ অ্যালবামে ‘আবারও’।
ছবি কৃতজ্ঞতা: ব্যান্ড।

 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য