উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুড়িগ্রামের রাজিবপুরের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে । পানি বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে ভাংছে বাড়িঘর । গত ২ দিনে উপজেলার ৩ ইউনিয়নে ৫ শতাধিক বাড়িঘর নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা জানিয়েছেন । নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০ চরের প্রায়  ৫০ একর চিনা কাউনের আবাদ পানির নিচে তলিয়ে গেছে । জানা গেছে, রাজিবপুর ইউনিয়নের আজগর দেওয়ানী পাড়া, মুন্সিপাড়া, বদরপুর ও করাতী পাড়াতে ভাঙ্গন, ঢলের পানির তোড়ে বালিয়ামারী বর্ডার হাটের বাশেঁর সাকোটির এক অংশ ভেঙ্গে গেছে, কোদাল কাটি ইউনিয়নের পাইকানটারী পাড়া, উত্তর কোদাল কাটি, উত্তর চর সাজাই এবং মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ভেলামারী, নয়াচর বাজার, শংকরপুর পাড়া মাস্টার পাড়া ও ব্যাপারী পাড়া গ্রামে ব্যাপক হারে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে । এছাড়া মোহনগঞ্জ ইউপি ভরন, নয়াচর বাজার, ভূমি অফিস সহ অসংখ্য ভবন হুমকির মধ্যে রয়েছে । বাড়ি ঘরের সাথে নদীতে ভেঙ্গে যাচেছ আবাদী জমিও । ফলে নদী তীরবর্তী মানুষের দিন কাটছে আতংকের মধ্যে দিয়ে । মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনু জানান, নদী ভাঙ্গনের কথা আর কত বলর ভাই! ভাংতে ভাংতে আমার ইউনিয়ন রাজিবপুরের মানচিত্র থেকে শেষ হয়ে যাচেছ কিন্ত বড় ধরনের কোন প্রকার প্রতিকার সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া যাচেছনা । মোহনগঞ্জ ইউনিয়নকে বাচাতে হলে সরকারকে জরুরী পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে । তা নাহলে জন সাধারনের পাশাপাশি সরকারের কয়েক কোটি টাকার সম্পদ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য