Monsur Pic-5-2-14মনসুর রহমানঃ নিমতলা প্রেসক্লাব দিনাজপুর কার্যালয়ে মোঃ মজিবর রহমান পিতা- মৃত: ফারাজ তুল্লা সরকার, সাবেক সাং- মহতুল্ল্যাহপুর (ফুলতলা বাজার) সদর, দিনাজপুর। নিম্ন তফসিল ভুক্ত জমির উপরে আমার হাসকিং মিল ছিল। ১৯৯৫ সালে সদর থানাধীণ ফুৃলতলা বাজারে পাকা রোড সংলগ্ন পশ্চিম পার্শে ৫ ফুট খালডোবা ০.২২ একর জমি খরিদ করে মাটি ভরাট করি। মিল চাতাল করার মত এবং থাকার উপযোগী করে দুটি ঘর করে সেখানে স্বপরিবারে বসবাস করে আসছিলাম। সেই সময় আমার প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়। উক্ত এলাকার মোঃ জহুরুল ইসলাম, পিতা ঃ মৃত: মোজাহার হোসেন, হাল সাং ফুলতলা বাজার, সদর দিনাজপুর সে আমার ভাতিজা। ১৯৮১ সালে তারা নিজ বাড়ী ভিটা জমি বিক্রি করে অন্যত্রে চলে যায়। যাহার পরে তারা আমাদের এলাকার বাসিন্দা নহে এবং ভোটার নহে। হঠাৎ করে ১৬/১২/২০০৯ ইং তারিখে মোঃ জহুরুল ইসলাম সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দিনে দুুপুরে আমার স্ব-পরিবারকে মারপিট করে এবং ১ ঘন্টার মধ্যে উক্ত এলাকা থেকে বিতারিত করে। তাই আজ আমি বর্ণিত উপরের হাল ঠিকানায় খেয়ে না খেয়ে জীবন যাপন করছি। উক্ত ঘটনার পর আমি ৬/৭ এজাহার সদর থানায় দেওয়ায় কি অজ্ঞাত কারণে পুলিশ প্রশাসন আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা করে নাই। পরবর্তীতে মোঃ জহুরুল ইসলাম মিলের যাবতীয় মিলের মটর ও অন্যান্য মুল্যবান যন্ত্রপাতী বিক্রি করে এবং মিল বিল্ডিং ভেঙ্গে নিশ্চিন্ন করে দেয়। তাই পরবর্তী সময়ে আমি আদালতে আশ্রয় নিয়ে মামলা করি। মামলা নং-১০০সি/১১। পরিশেষে মহামান্য আদালত ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার আরজিনা বারী সদর উপজেলা দিনাজপুর কে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্ত কারী অফিসার মনে করে আমার একটি আয়ের উৎস সৃস্টি হইল। তাই তিনি অজ্ঞাত কারণে আসামীদের বাচানোর জন্য তার অফিস চেম্বারে আসামীদেরকে নিয়ে কয়েকদফা গোপন বৈঠক করেন। পরে আমার মিলে সরেজমিনে আসায় তিনি কেবল মাত্র আসামীদের সাথে কথা বলেন। আমার স্বাক্ষীদের কোন জবানবন্দ গ্রহণ করে নাই। আমার মিল চলাকালীন আমি ট্রাকে ট্রাকে চাল সরকারী গোডাউনে সরবরাহ করিয়াছি। অথচ মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে তদন্ত কারী অফিসার মিথ্যা রিপোর্ট আদালতে দাখিল করেন। শুধু তাই নয় দুর্নীতিবাজ সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার আরজিনা বারী আমাকে বলেন যারা বিচার চায় তারা নাকি মামলা বাজ। তাই তিনি আমাকে মামলাবাজ বানিয়েছেন।

ভুক্ত ভোগী মজিবর রহামান তার অভিযোগের তথ্যগুলি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্টু বিচারের আশায়।

নিম্নে বর্ণিত তফসিলঃ
জেলা দিনাজপুর, উপজেলা সদর, মৌজা মহতুল্যাহপুর, জেএল নং- ১৬৪, খতিয়ান নং-৮৭৫, দাগ নং- ১০৮৮, রকম- মিল চাতাল, ০.২২ একর।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য