গাইবন্ধার গোবিন্দগঞ্জের সর্বত্র এখন কোমল পানীয়র নামে এর্নাজি ড্রিংকের নেশায় আকৃষ্ট হয়ে ধংশের দিকে যাচ্ছে কিশোর ও যুব সমাজ। অভিভাবকরা তাদের প্রিয় সন্তানদের কোমল পানীয়র অন্তরালে এনার্জি ড্রিংকের নামে নেশা জাতীয় পানীয় পানের খবরে তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পরলেও সহজ লভ্যতার কারনে নিয়ন্ত্রন করতে পারছেনা তারা। অভিভাবকরা কোমল পানীয়র নামে বাজারজাত হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্রিংক গুলো পরীক্ষাগারে নিরিক্ষা পূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশি¬ষ্ট কতৃপক্ষেরা আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহর সহ উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে গড়ে ওঠা দোকানে অনাআসে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্র্রিংক পাওয়া যায়। ৭ম শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনীর ছাত্ররা সহজেই এসব দোকান থেকে কোমল পানীয়র নামে এনার্জি ড্রিংক কিনে সরল মনে পান করতে করতে এখন তা নেশায় পরিনত হয়েছে। আসক্ত কিশোর/যুবকদের কয়জনের সাথে কথা বলে জানাগেছে, টেলিভিশনে প্রচারিত এ্যাড দেখে এনার্জি ড্রিংক খাওার ব্যাপারে তারা প্রলুব্ধ হয়েছে। এসব এনার্জি ড্্িরংক পান করার পর শরীরে এক ধরনের উত্তেজনার পাশা-পাশি ঝিমঝিমানী ও ঘুমঘুম ভাব চলে আসে। একটানা ৩/৪দিন প্রতিদিন ১টা বা ২টা এনার্জি ড্রিংক খাওয়ার পর এনার্জি ড্্িরংক খাওয়া বাদ দিলে শরীর ছট ফট করে। তখন এসব এনার্জি ড্্িরংক খেলে বিশেষ ধরনের ফিলিংস পাওয়া যায়। তাদের বাবা-মা’রা জানান, এসব কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্্িরংক পান করার জন্য আমরাই টাকা দিতাম । কিন্তু এসব নিয়মিত পান করার পর তাদের আচার আচরনে পরিবর্তন লক্ষ্যকরা যাচ্ছে। যেমন তারা এখন ঘুমানো, খাওয়া ও পড়া লেখার শৃঙ্খলা থেকে বিচ্যুৎ হয়েছে। যা একেবারেই উদ্বেগ জনক। অথ্যাৎ তারা এখন নেশা গ্রস্ত হয়ে পরেছে। কোমল পানীয়র নামে যেসব এনার্জি ড্্িরংক বিক্রি হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে , ডাবল হর্স , হর্স ফিলিংস , ব¬াক পাওয়ার , টাইগার , স্টিং , পাওয়ার , জিনসিন , জিন্টার , ক্যান , স্পিড , ম্যান পাওয়ার ও ফাইটার্স। কমোল পানীয়র নামে এসব এনার্জি ড্রিংকসে এ্যালকোহল মিশ্রিত আছে বলে অনেকেই অভিযোগ করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য