02. Ayatollah Ali Khameneiইরাকের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরাকে সম্ভাব্য মার্কিন অভিযানের বিরোধিতা করে বলেছেন, তারা ফের দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করছে। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে রয়টার্স এ কথা জানায়। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সুন্নি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তায় ইরাকে ৩শ সামরিক উপদেষ্টা পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার তিনদিন পর এ কথা বললেন খামেনি।
এদিকে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্টের (আইএসআইএল) ইরাকের আরো নতুন নতুন এলাকা দখল করে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
গত রোববার ইরানি নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা ইরাকে মার্কিন এবং অন্যান্য হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করছি। কেননা আমাদের বিশ্বাস ইরাকের সরকার, জনগণ এবং ধর্মীয় নেতারা এই বিদ্রোহ মোকাবেলা করতে সক্ষম।’
ইরাকি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রধানমন্ত্রী মালিকিকে ক্ষমতাচ্যূত করার মার্কিন তৎপরতার বিরুদ্ধে হঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি এই কথা বলেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের উর্ধ্বতন কংগ্রেস সদস্যরা ইরাকের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য মালিকিকে দায়ি করে প্রেসিডেন্ট ওবামার কাছে তাকে অপসারণের জোর দাবি জানান। এদিকে আইএসআইএলের বিদ্রোহীরা ইরাকের আরও চারটি শহর দখল করে নিয়েছে। এর মধ্যে আনবার প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি শহর দখল করেছে তারা। পাশাপাশি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তপথ দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা। এ নিয়ে আনবারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তপথ এখন জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে নুরি আল-মালিকির সরকার।
যোদ্ধাদের অব্যাহত অগ্রযাত্রায় ইরাকি প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। দেশে জাতিগত বিরোধ নিরসনে ব্যর্থতার কারণে তাঁর ক্ষমতা ছাড়া উচিত বলে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে। জঙ্গিরা শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত কাইম, রাওয়া, আনা ও রুতবা দখল করে নিয়েছে।

 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য