আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান উপজেলা জামায়াত-এর প্রথম সারির নেতা আবু তালেব মাষ্টারকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের খবর জানাজানি হলে এলাকার জামায়াত-শিবির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা সড়কের চলাচলরত কমপক্ষে ১০/১২টি যানবাহন ভাঙচুর করেছে। এছাড়াও গ্রেফতারের প্রতিবাদে নেতাকর্মীরা পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা সড়কের এতিমখানা, হাসপাতাল ও ঠুটিয়াপাকুরসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে বেরিকেট সৃষ্টি করায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্তগতকাল সন্ধ্যা ৭টা যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, গত সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে উপজেলার ব্র্যাক মোড়, মহেশপুর, গাইবান্ধা সড়কে এতিমখানা, গ্রামীণ ব্যাংক ও ঠুটিয়াপাকুরের বেরিকেট সৃষ্টি করে যানবাহন ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও, সড়ক কাটাসহ নানা সহিংস ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় থানায় একাধিক মামলা দায়ের হয়। গ্রেফতারকৃত আবু তালেব মাষ্টার থানায় দায়েরকৃত অধিকাংশ মামলার এজাহারভূক্ত আসামী। উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান অন্যান্য কার্যদিবসের ন্যায় গতকাল বৃহস্পতিবার তার কার্যালয়ে আসে। প্রায় দিনভর তিনি অফিস করেন। এদিকে ওইসব মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল করতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থানা পুলিশ উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেফতার করে। মূহুর্ত্বের মধ্যে এখবর ছড়িয়ে পড়লে জামায়াত-শিবির দলীয় নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা সড়কের বেশকয়েকটি পয়েন্টে বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে বেরিকেট সৃষ্টি করে চলাচলরত যানবাহনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। অপরদিকে, গতকাল বুধবার রাতে থানা পুলিশ উপজেলা সদরে অভিযান চালিয়ে মেরীরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামায়াত নেতা গোলাম রব্বানীকে গ্রেফতার করে। থানা সূত্রে জানা যায়, গোলাম রব্বানী উপজেলায় সংঘটিত বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় থানায় দায়েরকৃত একাধিক মামলার এজাহারভূক্ত আসামী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য