সীতাকুণ্ডে হতাহতদের জন্য ক্রিকেটারদের সাহায্য প্রার্থনা

সীতাকুণ্ডে হতাহতদের জন্য ক্রিকেটারদের সাহায্য প্রার্থনা

খেলা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মন পুড়ছে প্রতিটি বাংলাদেশির! ক্রিকেটাঙ্গনেও পড়েছে তার শোকের ছায়া। চটগ্রামের সন্তান এবং জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল, সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক লিটন দাস এবং পেসার তাসকিন আহমেদ হতাহতদের জন্য প্রার্থনা করার সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যও চেয়েছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩-এ, হতাহত শতাধিক। অনেকে দগ্ধ হয়ে ছুটে যাচ্ছেন হাসপাতালে। তাদের জন্য দরকার বিপুল পরিমাণ রক্ত। রক্ত যেন নাগালে পাওয়া যায়, এমন অনুরোধ জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা।

তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস লেখেন, ‘চট্টগ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সকলকে অনুরোধ করবো চট্টগ্রাম মেডিকেলে অবস্থান করার জন্য। সীতাকুণ্ডের কন্টেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা অনেক, প্রচুর পরিমাণ রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে। দয়া করে যে যেখানে আছেন সাধ্যের মধ্যে থাকলে এক্ষুনি ছুটে যান, আপনার এক ব্যাগ রক্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি প্রাণ। আপনার পরিচিত রক্তযোদ্ধা বন্ধুদেরও আসার জন্য অনুরোধ করুন। মানুষ মানুষের জন্য।’

সীতাকুণ্ডের আগুন এখনো নেভানো যায়নি। যে কারণে হতাহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এমন অবস্থায় সবার সাহায্য কামনা করেছেন জাতীয় দলের পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আসুন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ, ফায়ার ফাইটার, ডাক্তার, পুলিশসহ উদ্ধারকার্যে অংশ নেয়া সবার জন্য দোয়া করি। যে যেভাবে পারি, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান এবং সাবেক অধিনায়ক মুশফিক লিখেছেন, ‘চট্টগ্রামের অগ্নিকাণ্ডের খবর শুনে খুবেই মর্মাহত হলাম। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর জন্য প্রার্থনা করছি। শক্ত থাকো সীতাকুন্ড। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।’

সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন, ‘চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং যারা আহত হয়েছেন তাদের প্রতি রইল সমমর্মিতা। আমি চট্টগ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষদের অনুরোধ করি, তারা যেন হতাহতদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। শুনেছি প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। সবাই এগিয়ে আসুন। আপনার একটু সহযোগিতা, এক ব্যাগ রক্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি প্রাণ। হাসি ফোটাতে পারে একটি পরিবারকে। সকলে প্রার্থনা করি।’