রাজধানীতে নিজের গায়ে কেরোসিন দিয়ে আগুন দেওয়া সেই গৃহবধূর মৃত্যু

রাজধানীতে নিজের গায়ে কেরোসিন দিয়ে আগুন দেওয়া সেই গৃহবধূর মৃত্যু

জাতীয়

রাজধানীর শাহজানপুরের গুলবাগে নিজের গায়ে কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া গৃহবধূ মিম আক্তার (১৮) মারা গেছেন। তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানা গেছে। তার স্বামী রামিম বর্তমানে কারাগারে আছেন।

বুধবার (১ জুন) ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইয়ুব হোসেন।

তিনি বলেন, গত শনিবার (২৮ মে) দুপুর ২টার দিকে ওই গৃহবধূকে আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। পরে তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। আজ ভোরে সে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

নিহত মিম আক্তারের মা পারভীন বেগম বলেন, আমার মেয়ে সিটি ইন্টারন্যাশনাল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী, মেয়ের জামাই রামিম হাবিবুল্লাহ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। গত শুক্রবার (২৭ মে) দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরের দিন মিম নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্নে নিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে আমরা শেখ হাসিনা বার্নে এসে দেখি তার পুরো শরীর পুড়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। কেনই বা আমার মেয়ে ওই ছেলেকে ভালোবেসে বিয়ে করল, আর কেনই বা মেয়ে অকালে চলে গেল। সে শাজাহানপুর গুলবাগের ৩৪৫ নাম্বার রাশেদের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিল। আমাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার মাসুমপুর গ্রামে।