বিচার প্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নারীর উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে

বিচার প্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নারীর উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ ৩০ মে সোমবার কালিতলাস্থ উদীচী দিনাজপুর এর সত্যেন সেন মিলনায়তনে ২০২২-২০২৩ অর্থবছর প্রাক বাজেট আলোচনাঃ জেন্ডার প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভানেত্রী কানিজ রহমানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখে মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. মারুফা বেগম। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন শিক্ষিকা ও অর্থনীতি সমিতির সদস্য মেরিনা লুৎফি।

আলোচনা করেন দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত মজুমদার ডলার, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি রবিউল আউয়াল খোকা, সামাজিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও গবেষক আজহারুল আজাদ জুয়েল, উদীচী জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক সত্য ঘোষ, দৈনিক উত্তর বাংলার নির্বাহী সম্পাদক জিনাত রহমান, পল্লীশ্রীর শামিমা পপি, ডা. আহাত আলী, গণতান্ত্রীক বাজেট আন্দোলন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক তারিকুজ্জামান তারেক, অধ্যাপক জলিল আহমেদ।

বক্তারা বলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বিগত ১৫ বছর ধরে জাতীয় বাজেটে নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ ও বাস্তাবায়নের মাধ্যমে নারী-পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমিয়ে আনার জন্য নারীবান্ধব বাজেটের দাবী জানিয়ে আসছে এবং নানা ভাবে সরকারের
উপর চাপ সৃষ্টি করছে।

আমরা জানি বাংলাদেশের রাজস্ব বাজেটের নারীদের অংশ অত্যন্ত কম যার কারণে বাজেটের একটা বড় অংশের প্রায় কোন সুবিধা নারীরা পাচ্ছেনা।

নারীর সামাজিক নিরাপত্তা, সমতা এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নারী উন্নয়ননীতি-২০১১ বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট ও সময় নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ জরুরী। অর্থনীতিতে নারীদের সর্র্ম্পূন অন্তর্ভুক্তির মুখে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারলে এক সময় সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি হবে নারী। আর নারী সংবেদনশীল একটি বাজেটই পারে এই লক্ষ্যকে বাস্তব রূপ দিতে।সঞ্চালকের দায়িত্ব্ পালন করেন মহিলা পরিষদের আন্দোলন সম্পাদিকা গৌরী চক্রবর্তী।