পাঞ্জাবে গায়ক সিধুকে গুলি করে হত্যা

পাঞ্জাবে গায়ক সিধুকে গুলি করে হত্যা

বিনোদন

পাঞ্জাবের মানসায় কংগ্রেস নেতা ও সংগীতশিল্পী সিধু মুসেওয়ালাকে খুন করা হয়েছে। তিনদিক থেকে ঘিরে ধরা হামলায় এলোপাথারি গুলি চালানো হয় তার উপর। এই হত্যাকাণ্ডে ভারতে তোলপাড় চলছে। দেশটির সংস্কৃতির আঙিনায় শোক নেমেছে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সামনে এসেছে নতুন তথ্য। এবিপি আনন্দসহ ভারতীয় বেশ কিছু গণমাধ্যম পুলিশ সূত্রে বলছে, সিধুর গাড়ি ঘিরে ধরে গুলি চালায় আততায়ীরা।

সিধুর গাড়ির সামনের কাচে ১৪টি গুলির চিহ্ন মিলেছে। বনেটে মিলেছে ৩টি গুলির চিহ্ন। এছাড়াও সামনের আসন গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। মোট ৩০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। সংগীতশিল্পী ও কংগ্রেস নেতার গাড়িকে ৩টি গাড়ি দিয়ে অনুসরণ করছিল হামলাকারীরা। তাদের সঙ্গে ছিল অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র।

গেল ২৮ মে সিধু মুসেওয়ালার নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে পাঞ্জাব সরকার। তারপরই তাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়।

পুলিশ সূত্রে দাবি, কানাডার গ্যাংস্টার গোল্ডি রয়েছে এই খুনের পেছনে। তিহার জেলে বসে খুনের পরিকল্পনা করে লরেন্স বিষ্ণোই নামে এক দুষ্কৃতী।

সিধু মুসেওয়ালার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই দায়ের হয়েছে এফআইআর। সিধু মুসেওয়ালার বাবা বালকৌর সিং মানসা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন ইতিমধ্যেই।

সিধু মুসেওয়ালার বাবার দায়ের করা সেই এফআইআর থেকে মিলেছে নতুন তথ্য। সেখানে বালকৌর সিং উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন গ্যাং থেকেই অর্থ দাবি করে মৃত্যুর হুমকি পেতেন সিধু। লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং এর মধ্যে অন্যতম। এই গ্যাং থেকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল সিধুকে। সরকারি সুরক্ষা ওঠার পরেও বুলেটপ্রুফ গাড়ি নিয়েই ঘুরতেন সিধু। কিন্তু ঘটনার দিন মহিন্দ্রা থর জিপ নিয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি। চালকের আসনে ছিলেন নিজেই। সঙ্গে ছিল দুই বন্ধু।

এই ঘটনায় ৩০২, ৩০৭ ও ৩৪১ ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির আর্ম অ্যাক্ট অ্যাট সিটি ওয়ান এর ২৫ ও ২৭ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।