মাংকিপক্স শনাক্ত হলে ২১ দিন কোয়ারেন্টিন, ঝুঁকিতে তরুণরা

মাংকিপক্স শনাক্ত হলে ২১ দিন কোয়ারেন্টিন, ঝুঁকিতে তরুণরা

জাতীয়

মাংকিপক্স নিয়ে আমাদের এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এর জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি সচেতন থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

আজ শনিবার (২৮ মে) সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডা. মিলন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তারা এ পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা বলেন, বিশ্বের কয়েকটি দেশে এটি ছড়ালেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে। আইইডিসিআর শনাক্তকরণে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘যেহেতু এখনো আমাদের দেশে মাংকিপক্স আসেনি তাই নিজস্ব গাইডলাইন আপাতত ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। যেহেতু এটা তরুণ ও শিশুদের মধ্যে বেশি ছড়ায়, তাই নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গাইডলাইন রয়েছে। ‘

তিনি সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, টেস্টের মাধ্যমে কারো শরীরে মাংকিপক্স শনাক্ত হলে চিকিৎসার পাশাপাশি ৫ থেকে ২১ দিনে কোয়ারেন্টিন বা আইসোলেশনে থাকতে হবে। আমরা যারা ছোটবেলাতে স্মল পক্সের টিকা নিয়েছি তারা খুশি হওয়ার কারণ নেই। নতুন এই ভাইরাসে আমরাও আক্রান্ত হতে পারি। ‘

সেমিনারে অধ্যাপক ডা. দেবেশ চন্দ্র তালুকদার বলেন, ‘আমরা এখনো জানি না মাংকিপক্স আমাদের দেশে কতটা ভয়াবহতা নিয়ে আসবে। তবে আমরা কভিড-১৯, চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গুর মোকাবেলা করেছি। মাংকিপক্সও যেই ফর্মেই বা ভেরিয়েশনেই আসুক আমরা এর মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত আছি। ‘

অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা ছাড়াও সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শফিকুল আলম চৌধুরী, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, ঢামেক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. দেবেশ চন্দ্র তালুকদার প্রমুখ।