রংপুরে ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার, গোডাউন মালিক গ্রেফতার

রংপুরে ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার, গোডাউন মালিক গ্রেফতার

রংপুর

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং ওএমএসের ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। যার মূল্য ৭ লাখ ৮৪ হাজার ৮০০ টাকা।

অবৈধভাবে সরকারি ক্রয় ও বিক্রয়ের জন্য বস্তা পরিবর্তন করে অন্য বস্তায় মধ্যে চাল ভরানোর অপরাধসহ অধিকতর তদন্তের জন্য গোডাউনটি সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ ঘটনায় গোডাউন মালিক মাহফুজার রহমান ও কর্মচারী মিন্টু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।

বুধবার বিকেল থেকে নগরীর উত্তর আশরতপুর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলে বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম।

অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আরিফ মিয়া, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (আর এম শাখা, রেকর্ড রুমের শাখা ও ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা) শেখ তাকী তাজওয়ার প্রমুখ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জানান, উত্তর আশরতপুর এলাকায় মাহফুজার রহমানের মালিকানাধীন গোডাউনে দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে ৩০ কেজির ৩৭৪ বস্তা চাল এবং ৫০ কেজির ১৬৮ বস্তাসহ মোট ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। এসব চালের বস্তায় ওএমএস ও প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল লেখা রয়েছে।

তিনি বলেন, গোডাউনের মধ্যে অন্যান্য চালের ভেতরে এই বস্তাাগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে বেশ কিছু বস্তার চাল অন্য বস্তার মধ্যে ভরানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সরকারি চাল গোডাউনের মজুদ করে রাখার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ঘটনার আরো অধিকতর তদন্তের জন্য গোডাউনটি সিলগালা করা দেওয়া হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে গোডাউনের মালিক মাহফুজ লালমনিরহাটে বিজিবির কাছ থেকে এসব চাল কিনেছেন বলে দাবি করেন। তবে ওএমএসের চালের বস্তা সম্পর্কে কোনো জবাব দিতে পারেননি তিনি।

দীর্ঘ অভিযান শেষে ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করে গোডাউনটি সীলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এরপর গোডাউনটির দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর রহমত উল্লাহ বাবলাকে।