স্পিকারের সঙ্গে সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্পিকারের সঙ্গে সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাতীয়

পদ্মা সেতু নির্মাণ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোলা সেলাকোভিচ।জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোলা সেলাকোভিচ এ অভিনন্দন জানান।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সংসদ ভবনস্থ স্পিকারের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে তারা সার্বিয়া-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি, কোভিড পরবর্তী বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক অবস্থা, সার্বিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা ও জীবনমান উন্নয়নে নিরলস কাজ করছেন। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, খাদ্য নিরাপত্তা, ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে দারিদ্র্য হ্রাস, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর তৈরি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যুগোপযোগী পদক্ষেপ, দক্ষ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি বহুমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

পদ্মা সেতু নির্মাণ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোলা সেলাকোভিচ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত তথা সার্বিক উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়ন সত্যিই দৃশ্যমান ও অনুকরণীয়। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি সার্বিয়ায় সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে দুদেশের সংসদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন করা যেতে পারে। এ সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ জনশক্তি আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন নিকোলা সেলাকোভিচ।

স্পিকার বলেন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটিসমূহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন তথা সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে কাজ করছে। সার্বিয়ার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে সংসদ সদস্যরা সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সার্বিয়াকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি ও অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উভয় দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।

এ সময় সার্বিয়ার বাইলেটারেল রিলেশন্স বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার ভ্লাদিমির মারিক, সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা ইভান জাকসিক ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।