দিনাজপুরে ব্রি ধান-৭৪ এর মাঠ দিবস ও ধান কর্তন অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে ব্রি ধান-৭৪ এর মাঠ দিবস ও ধান কর্তন অনুষ্ঠিত

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ ৪ মে মঙ্গলবার দিনাজপুর সদর উপজেলার ৪নং শেখপুরা ইউনিয়নের দীঘন গ্রামে দিনাজপুর এরিয়া প্রোগ্রাম ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৭৪ উৎপাদন প্রদর্শনীর মাঠ দিবস-২০২২ এবং ধান কর্তন ও দীঘন ক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ দিনাজপুর এসিও’র সিনিয়র ম্যানেজার অরবিন্দ সিলভেস্টার গমেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশিক্ষন কর্মকর্তা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের কৃষিবিদ এসএম আবু বকর সাইফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএডিসি দিনাজপুর অঞ্চলের উপপরিচালক (বীজ বিপণন) কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল রশিদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, সদর দিনাজপুর কৃষিবিদ মোঃ নুর হাসান, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাকিম হাসান।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর এপি টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট কাজল কুমার দে, জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৭৪ এর উৎপাদনকারী কৃষক মোঃ মমিনুল ইসলাম। জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান নিয়ে নিজস্ব লেখা গান পরিবেশন করেন দিনাজপুর এপির পলাশ ক্রুশ।

সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রোগ্রাম অফিসার যোহন মুর্মু। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার দিনো দাস। বক্তরা বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৭৪ একটি অনুপুষ্টি খাদ্য উপাদান। এই চালের ভাত শিশুদের বুদ্ধি বৃদ্ধি ঘটে। এছাড়া গর্ভবতী মায়েদের জিংক পুষ্টির অভাব পুরণ হয় এবং জিংক প্রোটিনের ফলে সন্তান লম্বা হয়।

জিংক সমৃদ্ধ চালে প্রোটিন ৮.৩ ভাগ থাকে এবং প্রতি কেজি চালে ২৮.৩ মিলিগ্রাম জিংক পুষ্টি থাকে। ঔষধ খাইয়ে জিংক এর অভাব পুরন করা সম্ভব নয়। এর জন্য চাই জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান চাউলের ভাত। এজন্য কৃষকদের জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৭৪ আবাদে এগিয়ে আসতে হবে।