চট্টগ্রামে গুদাম থেকে ১৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ

সৈয়দপুরের বাজারে মিলছে না সোয়াবিন তেলের বোতল

রংপুর

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাড়তি টাকা দিয়েও মিলছে না সোয়াবিন তেলের বোতল। অনেকটা বাজার শুণ্য হয়ে পড়েছে সোয়াবিনের বোতল। দোকানে খোলা তেল বাড়তি মুল্যে পাওয়া গেলেও মেলে না বোতল। এ অবস্থা বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে আসলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের নেই কোন অভিযান।

শনিবার রেলওয়ে বাজারে গেলে দেখা যায় অনেক দোকানে খোলা সোয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে। যা বিক্রি করা হচ্ছে দুইশ টাকা কেজি দরে। কারণ জানতে চাইলে ব্যবসায়িরা দিচ্ছে নানান অজুহাত। কেউ বলছে তেল নেই। আবার কেউ তেল সংকটের কাহিনি শোনাচ্ছেন। দু একটি দোকানে আট থেকে দশটি তেলের বোতল সাজিয়ে রাখা হয়েছে। আসলে তারা ওই বোতল বিক্রি করছে না।

অভিযোগ আছে অসাধু ব্যবসায়িরা তেলের বোতল খুলে তা ড্রামে ঢেলে রাখছে। পরবর্তীতে ওই তেল বেশি দামে খোলা হিসেবে বাড়তি দামে বিক্রি করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের জেল জরিমানা থেকে বাঁচতে তারা গুটি কয়েক তেলের বোতল দোকানে রেখে দেন।

বাজার করতে আসা মুকুল নামে একজন জানান,তিনি অনেক দোকান ঘুরলেন। কিন্তু সোয়াবিন তেলের বোতল পেলেন না। তবে এক দোকানদার তাকে দুই লিটার ওজনের একটি বোতল দিয়ে তিনশ নব্বই টাকা নিলেন। তিনি বাড়তি দামের কথা তুলে ধরলে দোকানদার বলেন নিলে নেন না নিলে চলে যান।

এ সময় ওই ক্রেতা তেলের বোতল মাপকাঠিতে দিলে ওজন আসে এক হাজার আটশ আশি গ্রাম। তার মানে দুই লিটার বোতলে একশ বিশ গ্রাম তেল কম। প্যাক করা বোতলে তেল কম এটিও ব্যবসায়িদের কারসাজি।

সৈয়দপুর বনিক সমিতির সভাপতি মোঃ ইদ্রিস আলী জানান, তেল সংকট সৃষ্টি করে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ি সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ওবায়দুল ইসলাম জানান, সোয়াবিন তেল নিয়ে চলছে হাহাকার। বোতলজাত তেল মিলছে না। কারণ অসাধু ব্যবসায়িরা তেলের বোতল খুলে তাদের ড্রাম ভর্তি করছে। পরে সুযোগ মত তারা এগুলো বেশি দামে খোলা তেল হিসেবে বিক্রি করছে।
এ ব্যাপারে বাজার ইন্সপেক্টরের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে মোবাইল বন্ধ থাকায় মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।