টিউনিশিয়া সমুদ্রে বাংলাদেশিসহ ৮১ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার

টিউনিশিয়া সমুদ্রে বাংলাদেশিসহ ৮১ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক

লিবিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করা ৮১ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করেছে টিউনিশিয়া। তাদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি। শনিবার (১৪ মে) দেশটির নৌবাহিনী শরণার্থীদের উদ্ধারের তথ্য জানায়।

টিউনিশিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে বিপদে পড়া নৌকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। নৌকার ৮১ যাত্রীর মধ্য ৩৮ জন মিশরীয়, ৩২ জন বাংলাদেশি, ১০ জন সুদানিজ এবং এক মরোক্কান ছিলেন। ২০ থেকে ৩৮ বছর বয়সি এই অভিবাসীরা টিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী লিবিয়ার উপকূলীয় গ্রাম আবু কামাশ থেকে যাত্রা করেন বলে নৌকর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। টিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদেরকে দেশটির ন্যাশনাল গার্ডের কাছে হস্তান্তর করেছে।

অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানোর লক্ষ্যে উত্তর আফ্রিকার দেশ টিউনিশিয়া ও লিবিয়া থেকে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। তাদের প্রথম লক্ষ্য টিউনিসিয়া থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইটালির দ্বীপ লাম্পেডুসা। সমুদ্রে যাত্রাকালে এই অভিবাসীরা প্রায়ই লিবিয়া বা টিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন।

গত মাসে যাত্রার প্রস্তুতিকালে ৫৪২ জনকে আটকের কথা জানিয়েছে লিবিয়া। দেশটিতে এএফপি ফটো সাংবাদিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের বেশিরভাগ ছিলেন বাংলাদেশি৷ সমুদ্রের শক্তিশালী ঢেউয়ের বিপরীতে দুর্বল নৌকায় পাড়ি দেওয়া অভিবাসীনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই বিপদে পড়েন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগরে ২০২১ সালে সমুদ্রে ডুবে গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন এমন অভিবাসী, শরণার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই হাজার জন। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ১৪০১ জন। মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে উন্নত জীবন যাপনের আশায় এশিয়া, আফ্রিকার অভিবাসীরা ভয়ংকর এই পথ বেছে নিচ্ছেন।