কুড়িগ্রামে পেট্রল সংকটের কিছুটা উন্নতি

কুড়িগ্রামে পেট্রল সংকটের কিছুটা উন্নতি

রংপুর

ঈদের পরবর্তী জ্বালানী সরবরাহ না থাকায় কুড়িগ্রামে তীব্র পেট্রল সংকট দেখা দিলেও সোমবার (৯ মে) সকাল থেকে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রোববার রাতে পাম্পগুলোতে কিছুটা তেলের যোগান আসায় পেট্রল পেতে শুরু করেছে মোটরযানের চালকরা। তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি। রাতে বাকী লরিগুলো আসলে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে জানিয়েছেন পাম্প মালিকরা।

সরেজমিন সোমবার সকালে শহরের এসএস ফিলিং স্টেশন, পনির পাম্প, ফ্রেন্ডস ফিলিং স্টেশন, সাহা ফিলিং স্টেশন ও সোনামনি ফিলিং স্টেশনে ঘুরে দেখা যায় মটরযান চালকরা চাহিদামত পেট্রল বা অকটেন পাচ্ছেন না। কেউ ৫ লিটার পেট্রল চাইলে তাকে ৩ লিটার দেয়া হচ্ছে। কিছুটা রেসনিংভাবে দেয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল। রাতে বাকী লরিগুলো আসলে মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

খলিলগঞ্জ বাজার এলাকার এসএস ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার চন্দ্রন কুমার রায় জানান, আমরা সীমিত পরিসরে পেট্রল দিচ্ছি। দ্বিতীয় লরিগুলো আসলে আর কোন সমস্যা থাকবে না।

শহরের ফ্রেন্ডস ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মুন্না জানান, আমার পাম্পে ৯হাজার লিটার চাহিদা থাকলেও যোগান পেয়েছি মাত্র ২ হাজার লিটার। ফলে গড়ে ২ লিটার করে পেট্রল দেয়া হচ্ছে। একই কথা জানালেন সাহা ফিলিং স্টেশনের অপারেটর তারা মিয়া।

এদিকে সাহা ফিলিং স্টেশনের মালিক রিন্টু সাহা জানান, আমার ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি প্রয়োজন, আমি আজ পেয়েছি ৯হাজার লিটার। ফলে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

জেলা পেট্রল মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আমি রাতে ৩০ হাজার লিটার জ্বালানি পেয়েছি। বিকেলের পর আরো ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি পেলে আমাদের আর কোন সমস্যা থাকবে না।

জেলা প্রশাসনের ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখার সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল দিও জানান, কুড়িগ্রামে ২৫টি পেট্রল পাম্পে গড়ে ৯০ থেকে এক লক্ষ লিটার পেট্রল ও সাড়ে ৩ লক্ষ লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। ইতোমধ্যে পেট্রল সরবরাহ শুরু হওয়ায় সংকট কেটে গেছে। মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় পাম্পগুলো ফিরে আসবে বলে তিনি জানান।