পঞ্চগড়ের ছয়শ ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে সেমিপাকা ঘর

পঞ্চগড়ের ছয়শ ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে সেমিপাকা ঘর

রংপুর

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম বলেছেন, মুজিবর্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম ধাপে পঞ্চগড় জেলার ৬শ ভূমিহীণ ও গৃহহীন পরিবারে মাঝে দুই শতক জমিসহ একক সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করা হবে। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঈদের বিশেষ উপহার।

ঈদের উপহার এর চেয়ে আর বেশি হতে পারেনা। যাদের এতদিন নিজের জমিতো দুরের কথা পরিবার পরিজনদের নিয়ে মাথা গোজার ঠাঁইও ছিল না তারা এখন জমিসহ পাচ্ছে সেমিপাকা ঘর। আমরা ইতোমধ্যে এসব ঘরের কাজ শেষ করেছি।

এখন শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ সকল ঘর আমরা ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করতে পারবো। তিনি উপকারভোগিদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন। তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন আপনাদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন।

তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের কাজলদিঘীতে ৪৮টি এবং চাকলাহাট ইউনিয়নের গয়পানি দিঘীর পাড়ে ৬৯টি একক গৃহ নির্মাণ কাজ সরজমিন পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দীপংকর রায়, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুল হক, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম, প্রশসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রশিদসহ জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণামান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মুজিববর্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে পঞ্চগড় জেলায় এক হাজার ২১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। আগামী ২৮ এপ্রিল তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম ধাপে পঞ্চগড়ে ৬শ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমি ও একক গৃহ হস্তান্তর করা হবে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের জোর মনিটরিং এসব ঘরের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে।