নীলফামারীতে ফসলি জমি কেটে বালু বিক্রির অভিযোগ

রংপুর

নীলফামারী সদর কচুকাটা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে চাড়াল কাঠা নদী। সেই নদীর খননকৃত বালু ইজারা নেয়ার নামে ফসলি ও ব্যক্তি মালিকানা জমি কেটে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আনিছুর কন্সট্রাকশনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কচুকাটা মৌজাস্থ চাড়াল কাঠা নদীর তীরবর্তী বালু স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আনিছুর ইন্সট্রাকশন ইজারা নিয়ে খনন করা বালু নিয়ে যায়। মুল সীমানার বালু নিয়ে যাওয়া শেষে কয়েকদিন পরে ওই বালুর তৎসংলগ্ন চার ফসলি জমির মাটি কাটা শুরু করে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়রা বার বার বাধা প্রদান করার পরেও মাটি কেটে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখলে কোন উপায় না পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নীলফামারী বরাবর অভিযোগ পত্র প্রদান করা হয়। তবে অভিযোগ প্রদান করেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সাজ্জাদ আলী বলেন, যখন নদী খনন করে আমরা আমাদের ফসলি জমি ভাঙ্গন থেকে বাঁচানোর জন্য আলুসহ জমি ছেড়ে দেই। কিন্তু এখন ক্ষমতার জোরে অবৈধভাবে তারা আমাদের আবাদি জমিনকেটে নিয়ে যাচ্ছে। এমনিতে নদীর ভাঙন তার উপর এ অত্যাচার।

আমরা পথে বসে যাচ্ছি। ষাটোর্ধ আঞ্জুয়ারা বেগম বলেন, বাবা আমার ছেলে মেয়ে নাই। স্বামীও চলতে পারেনা। ওই টুকু জমি আবাদ করে চলি সেটুকুও নিয়ে গেলো আমার। হাতে পায়ে ধরছি তাও কেউ দয়া করছেনা। এখন ভিক্ষা ছাড়া কোন উপায় নাই।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আনিছুর কন্সট্রাকশনের মালিক আনিছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

৭ এপ্রিল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সৈয়দপুর ডিভিশিনের নির্বাহী প্রকোশলীর দপ্তরে এ বিষয়ে জানতে গেলে তিনিসহ কাউকে অফিসে পাওয়া যায়নি। অফিেেস থাকাা একজন কর্মচারী বলেন স্যাররা কাজ পিিরিদর্শনে গেছেন।