বিরলে বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বিরলের শহরগ্রাম ইউনিয়নের ৪ টি গ্রামের বর্ষার পানি নিষ্কাশনের জায়গায় ডোল ঠাকুর এর থানের মাটি কেটে ব্যক্তি উদ্যোগে বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে এলাকাবাসী বিক্ষোভ করেছে। জোড়পূর্বক মাটি কেটে পুকুর খননকালে ওই স্থান থেকে একটি কষ্টি পাথর সদৃশ কৃষ্ণ মূর্তি উদ্ধারের পর বিষয়টি এখন উপজেলার সর্বত্র প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

বুধবার দুপুরে বিরলের শহরগ্রাম ইউনিয়নের ফুলবাড়ীহাট-বাসুদেবপুর সড়ক সংলগ্ন ডোল ঠাকুর এর থানে ৪ টি গ্রামের স্থানীয় মানুষেরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিক্ষোভ করেছে।

বিক্ষোভকারী ফুলবাড়ী গ্রামের অলেশ চন্দ্র দেবশর্মার ছেলে মধুসুদন দেবশর্মা, দেবেন্দ্রনাথ এর ছেলে রতন, আটঘেরা গ্রামের নবানুসহ হরেকৃষ্ণপুর, আটঘেরা, বাসুদেবপুর ও ফুলবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা দক্ষরাজ, মাহবুব আলম, ভবেশ চন্দ্র, মাসুদ রানা, সখিন দেবশর্মা, হীরালাল দেব, সন্তেষ, গোবিন্দ, সুমন, সূধীর চন্দ্র, লিপি খাতুনসহ উপস্থিত অনেকে জানান, ৪-৫ দিন পূর্ব হতে বাসুদেবপুর গ্রামের মৃত নেহাল উদ্দীনের ছেলে প্রভাবশালী আতাউর রহমান জোড়পূর্বক ৪ টি গ্রামের পানি নিষ্কাশনের জায়গায় পার্শ্ববর্তী ডোল ঠাকুরের থান থেকে স্কেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণ করে।

বর্ষাকালে পানি নিষ্কাষনের জায়গা বন্ধ থাকলে পাশের পাকা রাস্তার কালভার্ট দিয়ে পানি যাতায়াত বন্ধ হবে জানাতে গেলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে আমার জমি আমি পুকুর করবো কি বাঁধ বানাবো আমার ব্যাপার। পারলে ঠেকান! মঙ্গলবার দুপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটির পর শিক্ষার্থীরা কাদা মাটি আনতে গিয়ে দেখতে পায় কষ্টি পাথর সদৃশ মূর্তি কাদা মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। মুহুর্তে কষ্টি পাথরের বিষয়টি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসী মাটি খনন স্থলে গিয়ে মূর্তি দেখতে পেয়ে পুলিশে সংবাদ দেয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ২১৫ কেজি ওজনের একটে কষ্টি পাথর সদৃষ বিষ্ণমূর্তি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরদিন বুধবার দুপুরে এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে ৪ টি গ্রামের বর্ষার পানি নিষ্কাশনের জায়গায় ডোল ঠাকুর এর থানের মাটি কেটে ব্যক্তি উদ্যোগে বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে মাটি কাটা ও বাঁধ নির্মাণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে।