আনোয়ার হোসেন আকাশ, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাও: ঠাকুরগায়ের রাণীশংকৈল উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ ফেরদৌস খানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী খগেন্দ্র নাথ অধিকারী বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন। উপজেলার ৩০নং প্রয়াগপুর মৌজার নিরীহ ভূুমি মালিক হিসেবে ভোগ দখলীয় সম্পত্তিতে ৪নং আপত্তি কেস ৩০ ধারা মতে বাদী বিবাদীকে নোটিশ জারি সুত্রে ৯/১/১৩ শুনানী হয়। সিএস ও এসএ খতিয়ানভূক্ত সম্পত্তির প্রকৃত স্বত্তাধিকারী যতিশচন্দ্র অধিকারী গং-এর মোবাইল ফোনে আলাপকালে তাদের নামে জমির রেকর্ড করে দেয়ার নাম করে ২০ হাজার টাকা দাবী করে। টাকা দিতে অনিহা জানালে ফেরদৌস খান পরবর্তীতে তার সাজানো লোক ওই গ্রামের তোতা রাম অধিকারীর ছেলে মাধব চন্দ্র গংকে বাদী সাজিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নালিশী হাল ৮১০ দাগে .১০ শতক জমির স্থলে ০.১৫ শতক জমি রেকর্ড করে দেন। উক্ত সম্পত্তির এস এ রেকর্ড মুলে প্রকৃত সত্ত্বাধিকারী রমনি ও ধনহরি কান্ত অধিকারীগণ। একই মৌজার ৪৩, ৭৩ ও ৭৫ নং আপত্তি কেস নিয়ে তদন্ত অফিসার হিসেবে ফেরদৌস খান নিজে তদন্ত না করে তার মনোনীত দালাল আঃ কাদেরকে দিয়ে তদন্ত কাজ করান যা দণ্ডণীয় অপরাধযোগ্য। ফেরদৌস খানের বিরুদ্ধে অগনিত অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়। উপজেলা উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ ফেরদৌস খানের দূণীতির বিরুদ্ধে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে অভিযোগ করায় উক্ত মৌজার ২৪২, ২৪৩, ২৪৪, ২৪৫ ও ২৪৬ নং আপত্তি মামলাগুলি জনাব ফেরদৌস খান উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এর আদালত থেকে প্রত্যাহার করে জনাব মোঃ খোরশেদ আলম, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার ও আপত্তি অফিসার বিরল এর আদালতে বদলী করার নির্দেশ দেয়া হয়। এব্যাপারে উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ ফেরদৌস খান বলেন, আইন সম্মতভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারো স্বার্থ হাসিল না হলে এমনই করে থাকে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য