বাজেট পূর্ণাঙ্গ পুঁজিবাজার বান্ধব না২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পূর্ণাঙ্গ পুঁজিবাজার বান্ধব হয়নি বলে মনে করছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।

শনিবার সকালে সিএসইর ঢাকার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সিএসইর পক্ষে এ মত দেন চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ।

সংবাদ সম্মেলনে সিএসই চেয়ারম্যান বলেন, অর্থবিলের মাধ্যমে বেশ কিছু ক্ষেত্রেট্ট ট্যাক্স জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি পুঁজিবাজারকে নিরুৎসাহিত করবে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তাবের মধ্যে বাজেট বক্তব্যে আছে দুইটি। আর অর্থবিলে আছে আরও কয়েকটি। আগে গেইন ট্যাক্স ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হতো না। এখন এ সীমা বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। তবে আমারা সব সময় বলে এসেছি এটি ৫০ হাজার হলে ভালো হতো। আমরা অর্থবিল পাশ হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাশা করবো এটি বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হবে। কারণ এটি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে। রেভিনিউ পাওয়ার থেকে অধিকমাত্রট্টায় বিনিয়োগকারীদের আসলে পুঁজির পরিমাণ বাড়বে।

সিএসই চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজার ১৯৯৬ সালে টাইফয়েড আর ২০১০ সালের জন্ডিস থেকে ওঠে এসেছে। এ অবস্থায় ভালো পথ্য দরকার।

কিন্তু অর্থবিলের ভেতরে এই প্রথম ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স ধরে দেওয়া হয়েছে। ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার উপরে ২০ লাখ পর্যন্ত ৩ শতাংশ এবং ২০ লাখের উপরে ৫ শতাংশ ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স দিতে হবে। এটি অতিরিক্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্রেডহোল্ডারাদের জন্য নতুন করে ১৫ শতাংশ উৎসে কর জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি ১৫ থেকে ৫ শতাংশ করা উচিত। ১৫ শতাংশ উৎস কর দিতে হলে ট্রেডহোল্ডরদের ব্যবসা চালানোই কঠিন হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, অতালিকাভুক্ত কোম্পানির ট্যাক্স সাড়ে ৩৭ থেকে ৩৫ শতাংশ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির ট্যাক্স ২৭ শতাংশ ছিল, তাই রয়েছে। এটি পুঁজিবাজারের জন্য নিরুৎসাহব্যঞ্জক। তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্যও ট্যাক্স একই হারে কমানো দরকার ছিল।

এ সময় তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজার অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পুঁজিবাজার বৃহৎ পুঁজির ব্যবস্থা করে। এ বাজারের মাধ্যমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগেরকারীদের অর্থ একত্রিট্টত করে বৃহৎ বিনিয়োগ করা সম্ভব।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য