রংপুরের ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি মোঃ হুমায়ুন কবীর বলেছেন, নির্বাচনের জন্য পুলিশী কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছিল। এখন অপরাধীদের ধরতে বিভিন্ন প্লান তৈরি করা হচ্ছে। নগরের অপরাধ প্রবণ ১২টি পয়েন্ট চি‎িহ্নত করে সেখানে পুলিশী টহল জোরদার করা হয়েছে বলে। তিনি জানান, নগরের ছিনতাই বৃদ্ধি পাওয়ায় রাতে পুলিশী তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর বিভাগীয় পুলিশ কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।  ডিআইজি বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এমন কাজ পুলিশ করতে দেবে না। পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছাড়াও অন্য সন্ত্রাসীদের ধরতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। নগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।  এক প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, গত ১০ দিনে রংপুর বিভাগের আট জেলায় বিভিন্ন মামলার ২ হাজার ৯৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, মদ, ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।  এছাড়াও ৫টি মোটরসাইকেল, একটি পিক-আপ ভ্যান ও জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতি মাসে আমরা আট জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করে স্ব-স্ব জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করি এবং দিক নির্দেশনা প্রদান করি। দেশের অন্য জেলার তুলনায় রংপুর বিভাগের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো।  রংপুরে ঝিমিয়ে পড়া কমিউনিটি পুলিশ সম্পর্কে তিনি বলেন, ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করে নতুন উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। তা আস্তে আস্তে ঝিমিয়ে পড়ে। বর্তমান নতুনভাবে যাত্রা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যাতে করে পাড়া-মহল্লার অপরাধ প্রবণতা কমে যায়।  রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কবে নাগাদ গঠন করা হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা চলামান প্রক্রিয়া গত বছরের নভেম্বর মাসে পুলিশ সদর দফতরে পাঠিয়েছি। আশা রাখছি তা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। তিনি বলেন, রংপুরে ২০ একর জায়গায় বিভাগীয় সদর দফতর করা হবে। সেখান বিভাগের বিভাগীয় সব থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য