রাজশাহীর কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস আলী কারাগারে

রাজশাহীর কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস আলী কারাগারে

রাজশাহী

ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকারী রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে আগামী রোববার (৫ ডিসেম্বর) পুলিশের চাওয়া ১০ দিনের রিমান্ড ও তার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২ এর বিচারক শংকর কুমার তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে শুনানির দিন ধার্য্য করেন।

এর আগে সকালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার আব্বাস আলীকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ আদালতে সোপর্দ করে। বুধবার ভোরে রাজধানীর ঈশাখা হোটেল থেকে আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজশাহী সিটি গেটে জাতির পিতার ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিন থানায় তিনটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে শুধুমাত্র রাসিক কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের একটি অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

এর আগে ২৪ নভেম্বর বিকালে দলীয় কার্যালয়ে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের জরুরি বৈঠকে আব্বাসকে পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া ২৬ নভেম্বর মেয়র আব্বাসকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণকে কেন্দ্র করে কটূক্তি এবং সেটি নির্মাণের প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে সম্প্রতি বক্তব্য দেন কাটাখালি পৌরসভায় নৌকা প্রতীকে দুবারের নির্বাচিত মেয়র আব্বাস আলী।

এরপর গত ২৩ নভেম্বর থেকে তার অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ২৪ নভেম্বর রাতে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া, বোয়ালিয়া ও চন্দ্রিমা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়।