বালিয়াডাঙ্গীর ৩০ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ৯ জনই জামানত হারালেন!

রংপুর

আনোয়ার হোসেন আকাশ, রাণীশংকৈল সংবাদাতাঃ স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা অনুসারে নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টামাংশ অপেক্ষা কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানতের টাকা সরকারের অনুকুলে বাজেয়াপ্ত হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে তৃতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে যথেষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় ৮টি ইউনিয়নে ৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ৮ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ৩০জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় রবিবার হয়ে যাওয়া নির্বাচনে ৩০ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ৯জনই এক-অষ্টমাংশ ভোট পাননি।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায় চাড়োল ইউনিয়নের ৯৬৩ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোশারফ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফেকুর রহমান ঘোড়া প্রতিকে ১৩০৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মইন উদ্দীন রজনীগন্ধা প্রতিকে ১৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

দুওসুও ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতিকে ১০১ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থী হুমায়ুন কবীর ৭৯ ভোট পেয়ে জামানত হারান।

ভানোর ইউনিয়নের জামানত হারানো ৩ জনের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম ৩৯৫টি ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকে ৭৭৪ ভোট এবং আব্দুর রাজ্জাক আনারস প্রতিকে ১৪৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

বড়বাড়ী ইউনিয়নের মোটরসাইকেল প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জুলফিকার আলী ৯১টি ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার দলিলউদ্দীন বলেন, প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটকে ৮ ভাগ করার পর এক ভাগের কম ভোটে পরাজিত হলেই ওই প্রার্থীর জামানত হারাবেন। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৮ ইউনিয়নের ৪টি ইউনিয়নের ৯জন চেয়ারম্যান প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় এবার তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৮টি ইউনিয়নে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১০২ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৭১ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৭৮৭টি।