বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে অগ্রণী ব্যাংক

রংপুর

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ দেশের একমাত্র চতুদের্শীয় ব্যবসা বাণিজ্য কেন্দ্র পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এজন্য সর্ব উত্তরের সীমান্ত উপজেলা তেঁতুলিয়া সিপাইপাড়ায় অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা করার পরিকল্পনা রয়েছে। অগ্রণী ব্যাংকের গ্রাহকরা শুধু গ্রাহক নন, তারা ব্যাংকের অংশীদার এবং মালিকও বটে। সম্প্রতি তেতুলিয়ার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সফর শেষে ব্যাংকের এক গ্রাহক সমাবেশে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহম্মদ শামস্ উল ইসলাম এসব কথা বলেন।

গ্রাহক সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকরা অংশগ্রহণ করেন। ব্যাংকের ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের সহকারি মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান আখতার হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর সার্কেলের মহাব্যবস্থাপক বাহারে আলম। এতে পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি শরীফ হোসেন, তেঁতুলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু, বাংলাবান্ধা আমদানি-রপ্তানীকারক এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান বাবলা, বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সদ্য নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত ই খুদা মিলন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

গ্রাহক সমাবেশ ঋণ আদায়, জেলার বিভিন্ন শাখাকে ঋণখেলাপী মুক্তকরণ, নতুন উদ্যোক্তদের ঋন প্রদান, বাংলাবান্ধার সিপাইপাড়া এলাকায় একটি নতুন শাখা স্থাপনের আশ^াস দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহম্মদ শামস্ উল ইসলাম। সমাবেশে তিনি একশ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা ২০২১ বাস্তবায়ন এবং ডিসেম্বর ভিত্তিক শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য রাখেন।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানী কারক এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বলেন, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড এর সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহম্মদ শামস্ উল ইসলাম একজন দেশ বরেণ্য ব্যাংকার। তার এই সফর ব্যাংকের কার্যক্রমকে উৎসাহিত করে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে বিশেষ ভুমিকা রাখবে। সিপাইপাড়ায় অগ্রণী ব্যাংকের শাখা স্থাপন হলে স্থলবন্দরের ব্যবসা বাণিজ্য আরও প্রসার ঘটবে।

গ্রাহক সভা শেষে স্থানীয় তালমা টি ফ্যাক্টরির অনুকূলে ঋণের মঞ্জুরীপত্র প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলামের হাতে তুলে দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহম্মদ শামস্ উল ইসলাম। শেষে তেঁতুলিয়ার বেরং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।