প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয়

করোনা মহামারির কারণে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা বিলম্বে শুরু হলেও আগামী বছর খুব একটা দেরি হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রবিবার (১৪ নভেম্বর) মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রীর মতে, আগামী বছর যথাসময়ে নেওয়া সম্ভব না হলেও এত বিলম্ব না হলেও মে-জুনের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী মনে করেন, ‘বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এ অবস্থায় থাকলে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা খুব বেশি বিলম্বে হবে না। সাধারণত প্রত্যেক বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি পরীক্ষা হয়। তবে আগামী বছর আমাদের ফেব্রুয়ারি মাসেই এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ শিক্ষার্থীদের সিলেবাস সম্পন্ন করার একটি বিষয় আছে। সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিয়ে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।’

চলতি এসএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্রের বাইরে অযথা ভিড় না করে অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানান ডা. দীপু মনি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুক প্রমুখ, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ প্রমুখ।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। তবে একটি অংশ গুজব রটানোর চেষ্টায় আছে। তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর আছি।

প্রশ্ন ফাঁসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাদেশে এসএসসি, দাখিল, ভোকেশনাল পর্যায়ে ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছি। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব।

তিনি বলেন, একটি চক্র পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের গুজব রটানোর চেষ্টায় আছে। মাদক দমনের মতো গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।