দুস্কৃতিকারিদের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাক্ষনবাড়িয়া স্টেশন ফের চালু

দুস্কৃতিকারিদের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাক্ষনবাড়িয়া স্টেশন ফের চালু

জাতীয়

দুস্কৃতিকারিদের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাক্ষনবাড়িয়া স্টেশন ফের চালু করলেন রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন। ২০২১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি ছিল। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় চালু করলেন রেলমন্ত্রী।

এর আগে আজ সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের ফুল বিতরণ করে এবং গার্ড ব্রেকে ফ্ল্যাগ সিগনাল প্রদানের মাধ্যমে ট্রেনের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ব্রাক্ষনবাড়িয়া স্টেশনের ট্রেনের যাত্রা বিরতি পুনরায় চালু করেন।

উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন গত ২৬ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টারের রুম, অপারেটিং রুম, ভিআইপি রুম, প্রধান বুকিং সহকারীর রুম, টিকেট কাউন্টার, প্যানেল বোর্ড এবং সিগনালিং যন্ত্রপাতি, পয়েন্টের সিগন্যাল বক্সসহ লেভেল ক্রসিং গেট ও অন্যান্য স্থাপনা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দূবৃর্ত্তরা। এ ঘটনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের আড়াই কোটি টাকা ক্ষতি হয়। ঘটনার পরের দিন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে সকল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়। দীর্ঘ প্রায় আট মাস পরে এটি আবার চালু করা হলো। এ সময় মন্ত্রী বলেন, পূর্বে যেভাবে যাত্রাবিরতি ছিল আজ থেকে একইভাবে যাত্রাবিরতি করবে। স্টেশনে ১৪টি আন্তঃনগর, ৮টি মেইল এবং ৪ টি কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বিরতি রয়েছে।

তিনি জানান, যারা স্বাধীনতা বিরোধী, যারা বাংলাদেশ চায়না তারাই এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া চলমান আছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন তেলের দাম বাড়লেও রেলওয়ের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তিনি বলেন, রেল একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। আমরা জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণকে একটি সহজ এবং আরামদায়ক সেবা প্রদানে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। ট্রেনে ঢিল ছোঁড়া রোধে দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।