যেসব খাবারে দূর হবে অনিদ্রা

যেসব খাবারে দূর হবে অনিদ্রা

জেনে রাখুন

সারাদিনের পরিশ্রমের পর সবারই ইচ্ছে থাকে প্রশান্তির ঘুমের। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অন্যতম শর্ত। পাশপাশি ত্বকের সুস্থতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, চুল অকালে পড়ে যাওয়াসহ একাধিক সমস্যার কারণ অপর্যাপ্ত ঘুম।

অনেকেই আছেন যারা বালিশে মাথা রাখলেই ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু কারো কারো ঘুমের জন্য রীতিমতো সাধনা করতে হয়। তাই দ্রুত ঘুমাতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে পারবির্তন আনতে হবে। এর জন্য যে অনেক নামিদামি খাবার খেতে হবে এমনটা নয়। আপনার পরিচিত কিছু খাবার নিয়মিত খেলেই আরামের ঘুম চোখে ভর করবে বিছানাতে গেলেই। তাহলে জেনে নিন খাদ্যতালিকায় কোন কোন খাবার রাখলে অনিদ্রা সমস্যা দূর করে আপনাকে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করবে।

সুনিদ্রার জন্য উষ্ণ দুধ পান খুবই প্রচলিত রীতি। দুধের সেরোটোনিন উপাদান মস্তিষ্কের ওপর যে প্রভাব ফেলে তার প্রভাবে ঘুম আসতে সুবিধে হয়। রাতে যাদের ঘুমের সমস্যা হয় তার গরম দুধ পানের অভ্যাস করতে পারেন।

ভালো ঘুমের জন্য নৈশভোজের পর ক্যামোমাইল চা পান বেশ কার্যকর। স্নায়ুতন্ত্রের ওপর এই পানীয়ের কোমল প্রভাবে অনিদ্রা সমস্যা দূর হয়। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যৌগ অ্যাপিজেনিনের ফলে উদ্বেগ দূর হয় এবং ভালো ঘুম আসে।

খাদ্যগুণের দিক থেকে কলা প্রিবায়োটিক। অর্থাৎ কলায় যে উৎসেচক আছে তার ফলে প্রোবায়োটিক উৎপন্ন হয়। ভারতে সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রিবায়োটিক খাবার উদ্বেগ দূর করে সুনিদ্রায় সহায়ক।

যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তারা চেরি খেতে পারেন। কারণ চেরিতে আছে মেলাটোনিন। এর প্রভাবে সুনিদ্রায় সহায়ক পরিস্থিতি তৈরি হয়। মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও এর সুপ্রভাব আছে। দুশ্চিন্তা দূর করে চেরি। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি চেরি খেলে রাতে ঘুম আসতে সমস্যা হয়না।

ভালো ঘুমের জন্য রাতের খাবারে যোগ করতে পারেন মধু। কারণ মধুর প্রভাবে সেরোটোনিন রূপান্তরিত হয় মেলাটোনিনে। এই রাসায়নিক যৌগ সুনিদ্রায় দারুণ সহায়ক।