কোভিড-১৯: হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি আক্রান্ত

কোভিড-১৯: হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি আক্রান্ত

আন্তর্জাতিক

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন।

রোববার পরীক্ষার ফলাফলে তার করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল।

৪২ বছর বয়সী সাকি জানিয়েছেন, তিনি টিকা নিয়েছেন এবং তার রোগ লক্ষণ মৃদু।

মঙ্গলবার বাইডেন ও তিনি নিজেদের মধ্যে ছয় ফুট দূরত্ব রেখে ও মুখে মাস্ক পরে দপ্তরের বাইরে বসেছিলেন বলে জানান তিনি।

শনিবার বাইডেনের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়েছিল আর এর ফল নেগেটিভ এসেছিল বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন।

“আজকে পরীক্ষায় পজিটিভ আসার কথা আমি প্রকাশ করছি পুরোপুরি স্বচ্ছতার স্বার্থে,” বলেছেন সাকি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানামতে বাইডেন জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে হোয়াইট হাউসের প্রধান মুখপাত্র সাকিই তার প্রশাসনের সবচেয়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

সাকি জানান, চলতি সপ্তাহে বাইডেনের রোম ও গ্লাসগো সফরে যোগ না দেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি কারণ তার পরিবারের একজন সদস্যের করোনাভাইরাস ধরা পড়েছিল, তারপর থেকে তিনি কোয়ারেন্টিনে আছেন।

গত বুধবার কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার পর থেকে একের পর এক পরীক্ষায় তার নেগেটিভ এসেছিল, পরে রোববার পজিটিভ আসে বলে জানান তিনি।

বিবৃতিতে সাকি বলেছেন, ১০ দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষে র‌্যাপিড কোভিড-১৯ পরীক্ষায় নেগেটিভ আসা সাপেক্ষে তিনি কাজে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ নাগরিক করোনাভাইরাস টিকা নিতে অস্বীকার করায় মহামারী নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে হোয়াইট হাউস।

চলতি বছরের প্রথমদিকে সাকি জানিয়েছিলেন, চিকিৎসক কেভিন ও’কনরের অনুরোধে নজরদারির জন্য প্রতি দুই সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে একবার করে পরীক্ষা করা হয়। বাইডেন টিকার সবগুলো ডোজ নিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ৭৮ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট বাইডেন অক্টোবরে নেওয়া বুস্টার ডোজসহ ফাইজার/বায়োএনটেকের কোভিড-১৯ টিকার তিনটি ডোজ নিয়েছেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, তাদের কর্মীদের মধ্যে কতোজন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন তা জানাতে রাজি হয়নি হোয়াইট হাউস।

বাইডেনের পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মহামারীর প্রথম পর্যায়ে করোনাভাইরাসকে গুরুত্ব না দিয়ে মাস্ক পরাকে অবজ্ঞা করেছিলেন। পরে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের অনেক কর্মী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন।